দক্ষযজ্ঞে দেহত্যাগের পর পার্বতী নয়, অন্য এক রূপে জন্মেছিলেন সতী, চিনে নিন

0
27

বিশ্বদীপ ব্যানার্জি: পতি নিন্দা সইতে না পেরে দক্ষযজ্ঞের আগুনে আত্মাহুতি দিয়েছিলেন সতী। তারপর কী ঘটেছিল? পার্বতীরূপে জন্ম নিয়ে ফের শিবের সঙ্গে ঘর বাঁধেন? নাঃ হিমালয়-কন্যারূপে জন্ম নেওয়ার আগে আরও এক রূপে এসেছিলেন মহামায়া। যাঁর কথা অনেকেই জানেন না।

আরও পড়ুন: অম্বুবাচীতে দক্ষিণেশ্বরের কালীমূর্তির মুখ ঢাকতেন না শ্রীরামকৃষ্ণ, কেন জানেন

পুরাণ মতে, দেহত্যাগের পর সতী রাজা নীলধ্বজের কন্যা নীলাবতী বা নীলচন্ডিকা রূপে আবির্ভূতা হয়েছিলেন। চড়কের ঠিক আগের দিন নীলকন্ঠ শিবের সাথে তাঁর বিবাহ হয়। তিনি সেই রাতেই মক্ষিকারূপে ফুলের সাথে জলে নিক্ষিপ্ত হয়ে পুনরায় প্রাণত্যাগ করেছিলেন।

অর্থাৎ আবার শিবকে বিরহ বেদনায় জর্জরিত করেন দেবী মহামায়া। তবু দেবীর লীলা বলে কথা! এই রূপে মহামায়া বিশেষ কিছু করেননি ঠিকই। তথাপি তাঁদের এই বিবাহকে স্মরণীয় করে রাখতেই চৈত্র মাসের সংক্রান্তির ঠিক আগের দিন নীল পূজার প্রচলন।

খাস খবর ফেসবুক পেজের লিঙ্ক:
https://www.facebook.com/khaskhobor2020/

এই প্রচলন নিয়ে সুন্দর একটি কাহিনীও শোনা যায়। কোনো এক ব্রাহ্মণ দম্পতির সন্তান হয়েও বাঁচে না। একদা ছদ্মবেশে ষষ্ঠীদেবী দেখা দিয়ে বলেন গোটা চৈত্র মাস সন্ন্যাসীর মতো শিব ভজনা করে সংক্রান্তির ঠিক আগের দিন সারাদিন উপবাস থেকে সন্ধায় নীলাবতীর পুজো করে, নীলকন্ঠের সামনে প্রদীপ জ্বেলে তারপর মা ষষ্ঠীর নাম নিয়ে তবে কিছু মুখে দিতে। তিনি আরো জানান, ভবিষ্যতে প্রতিটি মা’ই সন্তানের মঙ্গল কামনায় এই ব্রত করবে এবং দিনটি ‘ষষ্ঠীর দিন’ নামে খ্যাত হবে।