কালীঘাটের কাকুর গ্রেফতারি কতটা চাপ বাড়াল অভিষেকের? প্রশ্ন নেটিজেনদের

0
120
Abhishek Banerjee

খাস প্রতিবেদন: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আপাতত ইডির হেফাজতে সুজয় কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকু৷ মঙ্গলবার দিনভর ম্যারাথন জেরা শেষে রাতে তাঁকে গ্রেফতার করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কর্তারা৷ বাম-কংগ্রেস জোটের বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস তৃণমূলে যোগ দেওয়ার প্রতিহিংসা স্বরূপ এই ঘটনা কি না, সেই প্রশ্ন উস্কে দিয়েছেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ৷ তবে সেসব ছাপিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক উঠোনে উঠে আসছে নেটিজেনদের তোলা আরও একটি প্রশ্ন: কালীঘাটের কাকু গ্রেফতার হওয়ায় কতটা স্নায়ুর চাপ বাড়ল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের?

আরও পড়ুন: Weather Update: ফের তাপপ্রবাহের সতর্কতা, কোন কোন জেলায়? রইল বিস্তারিত

- Advertisement -

এমন প্রশ্নের স্বপক্ষে নেটিজেনরা বলছেন, সুজয় কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকু একসময় অভিষেকের অফিসে কাজ করতেন৷ বস্তুত, শুধু অভিষেকের অফিসে নয়, অন্য তিনটি সংস্থার সঙ্গেও এই কালীঘাটের কাকুর সংযোগ খুঁজে পেয়েছেন তদন্তকারীরা৷ সূত্রের দাবি, ওই সংস্থাগুলি আদতে ঘুরপথে নিয়ন্ত্রণ করতেন কালীঘাটের ‘প্রভাবশালী’ এই কাকু৷ সেখানে কালো টাকা সাদা করা হত কি না, সেটাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা৷

বস্তুত, গত ২০ মে কালীঘাটের কাকুর বেহালার ফ্ল্যাট, বাড়ি, অফিস-সহ বহু জায়গায় তল্লাশি চালায় ইডি। কাকতালীয়ভাবে, ওই দিনই নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত কুন্তল ঘোষের চিঠি সংক্রান্ত মামলায় সিবিআই জেরার মুখোমুখি হতে হয়েছিল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে৷ তারপরই কালীঘাটের কাকুকে তদন্তকারীরা গ্রেফতার করায় অভিষেকের স্নায়ুর চাপ বৃদ্ধির বিষয়ে চড়ছে জল্পনা৷ কারণ, তল্লাশি অভিযানের দিনই কাকুর একটি ফোন বাজেয়াপ্ত করেছিলেন তদন্তকারীরা৷ যেখান থেকে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে বলেই দাবি তদন্তকারীদের৷

স্বভাবতই, নিয়োগ দুর্নীতি ইস্যুতে রাজ্য রাজনীতির অন্দরমহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে ৷ শাসকের অভিযোগ. প্রতিহিংসা৷ পাল্টা হিসেবে বিরোধীদের দাবি, ‘পাপের ফল’! সে সব ছাপিয়ে সামনে আসছে, এর পরে কার পালা! আপাতত এই আলোচনাতেই মশগুল কলকাতা থেকে কাকদ্বীপ!

আরও পড়ুন: Horoscope Today: আর্থিক বাধা দূর হবে বৃষ রাশির, পরকীয়ার সম্ভবনা সিংহরাশির, আর আপনার?