SSC Scam: “সবার কষ্ট হচ্ছে”, জেলে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বললেন মানিক

0
65
manik bhattacharya

কলকাতাঃ  “গরম পড়েছে । তাপপ্রবাহ সর্বত্র চলছে। সবার কষ্ট হচ্ছে”। জেলে কী ধরণের অসুবিধা হচ্ছে ? প্রশ্ন করতেই ঘুরে দাঁড়িয়ে জবাব দিলেন নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে অভিযুক্ত মানিক ভট্টাচার্য (manik bhattacharya)। পাশাপাশি এও জানিয়ে দিলেন তিনি কোন অসুবিধার কথা বলেননি।

আরও পড়ুন :  কোর্টের রায়ের মতই হাইকম্যান্ডের নির্দেশকে মান্যতা দিয়েছি: ডি কে শিবকুমার

- Advertisement -

ফের জেল হেফাজতের নির্দেশ মানিক ভট্টাচার্যকে। ৩ রা অগাস্ট পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল কোর্ট। সম্প্রতি মানিক ভট্টাচার্য কোর্টের কাছে আবেদন রেখেছিলেন, “আমাকে ছেড়ে দিন, না হলে অর্ডার দিন, যাতে সকালে চোখ না খোলে।“নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আদালতে কাছে কাতর আবেদন ছিল প্রাক্তন প্রাথমিক পর্ষদ সভাপতির।

আরও পড়ুন :  সোনিয়ার মধ্যস্থতাতেই মিটল ঝামেলা! মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন সিদ্দারামাইয়া, উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার

আরও পড়ুন :  জল বিক্রি করতে এসে নাবালিকার উপর ঝাঁপিয়ে পড়লেন ভুট্টা! হারোয়া থেকে গ্রেফতার

প্রসঙ্গত নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় বেশ আগেই ED-র হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য (manik bhattacharya) । মানিক ও শান্তনুর এই দু’জনের সরাসরি যোগসাজশ ছিল বলেও গোয়েন্দা সূত্রে চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়।ED সূত্রে দাবি, অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের চাকরি দিতে সরাসরি মানিক ভট্টাচার্যর কাছে সুপারিশ করতেন শান্তনু। মানিকের বাড়ির মতো শান্তনুর বলাগড়ের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েও প্রচুর চাকরিপ্রার্থীর নামের তালিকা উদ্ধার করেছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। ED সূত্রে দাবি, চোখে পড়ার মতো বিষয় হল,মানিক ভট্টাচার্যর ফ্ল্যাট থেকে যে তালিকা উদ্ধার হয়। তার মধ্যে থাকা বেশ কিছু নাম ছিল শান্তনুর বাড়ি থেকে মেলা তালিকাতেও। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার সূত্রে আরও দাবি করে, শান্তনুর সুপারিশে ৩১২ জনের মধ্যে ১০ জনকে স্কুলে চাকরি পাইয়ে দিয়েছিলেন মানিক।