“পরের জন্মে ফুটবলার হয়ে প্রতিশোধ নেব”, আত্মঘাতী মোহন সমর্থকের সুইসাইড নোট

0
159

খাস খবর ডেস্ক: আইএফএ শিল্ড ফাইনাল, ১৯৭৫। মোহনবাগান ধরাশায়ী চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলের কাছে। ৫-০ গোলে জিতে টানা চার বার আইএফএ শিল্ড জয়ী লাল-হলুদ বাহিনী। এখনও পর্যন্ত ডার্বির ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয়। শ্যাম থাপা, রঞ্জিত মুখার্জি, সুরজিৎ সেনগুপ্ত এবং শুভঙ্কর সান্যাল ঐতিহাসিক ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের গোলদাতা। ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের কাছে যা আজও গর্বের কথা।

এই শিল্ড জয় নিয়ে এখনও মোহনবাগানীদের খোঁচা দেওয়া হয়। তবে যতটাই আনন্দিত ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা, ঠিক ততটাই আহত ছিলেন মোহনবাগানীরা। এই ম্যাচে হারের দুঃখ আজও ভুলতে পারেননি মেরিনার্সরা। এই ম্যাচ নিয়ে একটি বড় ঘটনাও রয়েছে। মোহনবাগানের হারের দুঃখে আত্মঘাতী হয়েছিলেন এক সমর্থক। নাম উমাকান্ত পালোধি। এই মোহনবাগান সমর্থক শিল্ড ফাইনালে হারের পর সেই রাতে আত্মহত্যা করেছিলেন।

আরও পড়ুন: SA A vs IND A: আম্পায়ারের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে লজ্জাজনক কাজ করলেন রাহুল চাহার

তাঁর সুইসাইড নোটে লেখা ছিল- “আমার আগামী জন্মে আমি মোহনবাগান ফুটবলার হয়ে প্রতিশোধ নেব।” এটাকেই হয়তো আবেগ বলে। আর এই আবেগের জোরে মৃত্যু বরণ করতেও রাজি ফুটবল সমর্থকরা। কলকাতা ময়দানের সমর্থকদের আবেগের কাছে যে কোনও কিছুই হার মানতে পারে। এছাড়াও এই ম্যাচ নিয়ে আরও কিছু কাহিনী রয়েছে। ম্যাচে যখন ইস্টবেঙ্গল চতুর্থ গোল করে তখন একজন লাল-হলুদ সমর্থক নিছক আনন্দের বশেই হার্ট অ্যাটাকের শিকার হন। শীঘ্রই তাকে কাছের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আরও পড়ুন: Kolkata Derby: ডার্বির ইতিহাসে স্মরণীয় পাঁচটি ম্যাচ

হারের দুঃখে মোহনবাগান সমর্থকরা পাগল হয়ে যায়। তারা নিজেদের দলের পতাকাতেই আগুন লাগিয়ে পুড়িয়েছিল। তাদের নিজস্ব ক্লাবের তাঁবুতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল। সেই সঙ্গে সমর্থকরা মোহনবাগান খেলোয়াড়দেরও আক্রমণ করেছিল। মোহনবাগানের খেলোয়াড়রা পালাতে পারেনি। পরে তাদের গঙ্গা পাড় করতে হয়েছিল। সেক্ষেত্রে গোটা রাত একটি নৌকায় কাটাতে হয়েছিল।