কাঁধে ছিল প্রভাবশালী হিন্দু নেতাদের হত্যার দায়িত্ব, খুন করে সেই ভিডিও পাকিস্তানে পাঠাল ২ জঙ্গি

0
47

নয়াদিল্লি: কয়েকদিন আগেই দিল্লিতে থেকে দুই জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেই গ্রেফতারির পর থেকেই একের পর এক ঘটনা ঘতে চলেছে। জেরা করে সামনে আসছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। জেরার পরেই দিল্লি থেকে উদ্ধার করা হয় এক ব্যক্তির তিন টুকরো দেহ। সেই খুনের কথা স্বীকার করেছে দুই সন্ত্রাসবাদী। শুধু তাই নয় তাঁদের দেওয়া তথ্য শুনে চমকে উঠেছে পুলিশ। তদন্তকারী অফিসাররা জানতে পেরেছে দুই জঙ্গিকে ‘প্রভাবশালী হিন্দু’দের খুনের’ টার্গেট দেওয়া হয়েছিল। সেই কাজ প্রমাণ করার জন্য খুনের ভিডিও দুই জঙ্গি পাকিস্তানি হ্যান্ডেলারদের কাছে পাঠিয়েছিল।

পুলশ জানিয়েছে, দিল্লি থেকে গ্রেফতার হওয়া দুই জঙ্গি একজন ২১ বছর বয়সী যুবকের র শিরশ্ছেদ করেছে এবং তাদের পাকিস্তান-ভিত্তিক হ্যান্ডলারদের কাছে “তাদের সক্ষমতা প্রমাণ করার জন্য” খুনের ভিডিও করে পাঠিয়েছে। টাকার বিনিময়ে এই খুন করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ। রাজধানীতে প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের আগে উত্তরাখণ্ডের উধম সিং নগরের বাসিন্দা জগজিৎ সিং ওরফে জগ্গা (২৯), এবং দিল্লির জাহাঙ্গীরপুরির বাসিন্দা নওশাদ (৫৬) কে জঙ্গিদের সঙ্গে যোগসূত্রের সন্দেহে এবং হত্যার পরিকল্পনার অভিযোগে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল গ্রেফতার করে। দুই জঙ্গি প্রভাবশালী হিন্দু নেতাদের হত্যার দায়িত্বে নিয়োজিত হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। দের গ্রেফতারের কয়েকদিন পর, শনিবার স্পেশাল সেল ভালসওয়া ডেইরি এলাকার একটি ড্রেন থেকে একটি কাটা দেহ উদ্ধার করে। সেই দেহ উদ্ধারের পর থেকেই সামনে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।

- Advertisement -

আরও পড়ুন- বিশেষ কারণে উন্নাও ধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্ত প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক কুলদীপের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর আদালতের

পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (স্পেশাল সেল) প্রমোদ সিং কুশওয়াহ বলেছেন, দুজনকে গ্রেফতারের পর, পুলিশ জাহাঙ্গীরপুরীতে তাদের ভাড়া করা বাসস্থানে রক্তের চিহ্ন খুঁজে পেয়েছে। আরও তদন্তের পর ভালসওয়া ডেইরি এলাকার একটি ড্রেন থেকে একটি টুকরো টুকরো দেহ উদ্ধার করেছে। মৃতদেহটি ২১ বছর বয়সী এক ব্যক্তির, যার পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। এসিপি কুশওয়াহ বলেছেন, নওশাদ এবং জগজিৎ সিং ওই যুবককে টার্গেট করেছিল কারণ তাদের হ্যান্ডলার সোহেল যে পাকিস্তানের নিষিদ্ধ সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈবার সাথে যুক্ত এবং পাকিস্তান ভিত্তিক অপারেটিভ দুই জনের “ক্ষমতা প্রমাণ করতে” বলে। দুই জঙ্গি গত ১৫ ডিসেম্বর মৃতকে মদ্যপানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তুলে নিয়ে যায়। তারা তাকে তাদের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে এবং সেই ঘটনার ভিডিও করে। ভিডিও তারা সোহেলের কাছে পকিস্তানে পাঠায়। অভিযুক্তরা তারপরে মৃত ব্যক্তির দেহকে টুকরো টুকরো করে টুকরো টুকরো করে বস্তায় ভরে জলাশয়ে ফেলে দেওয়ার আগে কয়েক দিনের জন্য তাদের বাড়িতে সংরক্ষণ করেছিল। দুই অভিযুক্তের ভাড়া বাড়ি থেকে রক্তের দাগ ছাড়াও ৩টি পিস্তল ও ২২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছিল।