শ্রী শ্রী কালীকথা

0
47

বিশ্বদীপ ব্যানার্জি: দক্ষযজ্ঞের প্রাক্কাল। পিতৃগৃহে যেতে বদ্ধপরিকর সতী আর মহাদেব তাঁকে আটকাতে। বাধ্য হয়েই আঙ্গুল বাঁকাতে হল মহামায়াকে। “দশমহাবিদ্যা” অর্থাৎ নিজের প্রধান দশটি রূপ— ‘কালী’, ‘তারা’, ‘ষোড়শী’, ‘ভৈরবী’, ‘ভুবনেশ্বরী’, ‘ছিন্নমস্তা’, ‘ধূমাবতী’, ‘বগলামুখী’, ‘মাতঙ্গী’ এবং ‘কমলা’র বেশে ভয় দেখালেন স্বামীকে।

আরও পড়ুন: রামরাজ্য: সত্যিই কি রামের রাজত্বে সুখে বাস করত প্রজারা

ব্যস! তাতেই বাজিমাত— মিলল অনুমতি।

কাল অর্থাৎ কিনা সময়; এরই অধীশ্বরী দেবী কালী। স্বামী মহাদেবের বুকের ওপর যিনি। ‘দশমহাবিদ্যা’র প্রথমা তথা শাক্ত সম্প্রদায়ের সর্বপ্রধানা দেবী।

“দেবী পুরাণে” স্বয়ং ব্রহ্মাই বলেছেন, কালে মহামায়া সবকিছুই কলন অর্থাৎ সংহার করেন বলে দেবগণ তাঁকে ‘কালী’ নামে ডাকেন। অন্য মতে, কাল হচ্ছে রুদ্রদেবের আরেক নাম। সেই অনুযায়ী, কালের স্ত্রীলিঙ্গ অর্থাৎ কিনা তাঁর শক্তি তথা সহধর্মিণী হলেন কালী।

ঋষি মার্কণ্ডেয়র “কালিকা পুরাণ” অনুসারে, কালীই জগতকে সৃষ্টি করেছেন। অঘটন ঘটন পটিয়সী তিনি। অশুভ বিনাশকারিণী। বলা হচ্ছে, “ওঁ কালী কালী মহাকালী কালীকে পাপহারিণী।/ধর্মার্থমোক্ষদে দেবী নারায়ণী নমোহস্তুতে।”

খাস খবর ফেসবুক পেজের লিঙ্ক:
https://www.facebook.com/khaskhobor2020/

অন্যদিকে বিভিন্ন পুরাণে দেবী কালিকার একাধিক রূপ বর্ণনা করা হয়েছে। তার মধ্যে তোড়লতন্ত্র অনুসারে কালী মোট ৮ প্রকার।

দক্ষিণাকালী বা শ্যামাকালী, সিদ্ধকালী, গুহ্যকালী, শ্রীকালী, ভদ্রকালী, চামুণ্ডা, মহাকালী এবং শ্মশানকালী।