‘রাজ্যে যোগী নয় ভোগীরা রয়েছে’ ধর্মীয় স্থান থেকে লাউডস্পিকার সরানো নিয়ে শিবসেনাকে কটাক্ষ রাজ ঠাকরের

0
28

মুম্বই: ধর্মীয় অনুষ্ঠান নিয়ে দেশের একাধিক রাজ্যে অপ্রিতিকর পরিস্থিতর সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকদিন আগেই রাম নবমী ও হনুমান জয়ন্তীকে কেন্দ্র করে একাধিক রাজ্যে সংঘর্ষ বেধেছিল। সেই ঘটনা থেকেই শিক্ষা নিয়ে আগে থেকেই সতর্ক হয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। রাজ্যে মন্দির-মসজিদ থেকে প্রায় ১১ হাজার লাউডস্পিকার খুলে নেওয়া হয়েছে। যোগীর এই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছেন মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনার সভাপতি রাজ ঠাকরে। সেই সঙ্গেই করেছেন মহারাষ্ট্রের রাজ্য সরকার শিবসেনাকে কটাক্ষ করেছেন।

বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনার সভাপতি রাজ ঠাকরে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে রাজ্যের সমস্ত ধর্মীয় স্থান থেকে লাউডস্পিকার অপসারণের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। রাজ ঠাকরে একটি পোস্টে বলেছেন, “আমি আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই এবং যোগী সরকারকে ধর্মীয় স্থান, বিশেষ করে মসজিদ (মসজিদ) থেকে লাউডস্পিকার অপসারণের জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই।” যোগীর প্রসংশার সঙ্গেই রাজ্য সরকারকে খোঁচা দিয়ে লিখেছেন, “মহারাষ্ট্রে ‘যোগী’ পাওয়া যায় না, তবে এর পরিবর্তে, সেখানে শুধুমাত্র ‘ভোগী’ আছে।” এমএনএস প্রধান আরও বলেছিলেন যে তিনি প্রার্থনা করেন এবং আশা করেছিলেন যে শুভ বুদ্ধির জয় হবে। উল্লেখ্য, বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে উদ্ধব ঠাকরে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিজেপির কাছাকাছি আসার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন নবনির্মাণ সেনার সভাপতি রাজ ঠাকরে।

আরও পড়ুন- বিজেপি শাসিত গুজরাটের কাছে “উন্নয়ন মডেল” শিখছে বাম শাসিত কেরল  

এর আগেও একাধিকবার বিজেপির প্রশংসা শোনা গিয়েছে। এমনকি কয়েকদিন আগেই রাজ উদ্ভব ঠাকরের সরকারকে হুঁশিয়ারি জানিয়েছিলেন, ‘৩ মে-এর মধ্যে রাজ্যের সমস্ত মসজিদ থেকে লাউডস্পিকার খুলে নিতে হবে।’ যদিও সেই কথায় কান দেয়নি শিবসেনা। তাই নিয়েই এদিন যোগী প্রসঙ্গ টেনে কটাক্ষ করেছেন মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনার সভাপতি। এই প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখা ভাল, আগামী সপ্তাহে রয়েছে ইদ ও অক্ষয়তৃতীয়া সহ একাধিক ধর্মীয় অনুষ্ঠান। সেই সমস্ত অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে রাজ্যে যাতে কোনও অশান্তি না হয় সেই কথা মাথায় রেখেই, বুধবার সন্ধ্যাউ উত্তরপ্রদেশ সরকারের নির্দেশে ধর্মীয় ভবন থেকে প্রায় ১১ হাজার লাউডস্পিকার সরানো হয়েছে। উত্তর প্রদেশ সরকারের প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, রাজ্য জুড়ে ধর্মীয় স্থান থেকে মোট ১০,৯২৩ টি লাউডস্পিকার সরানো হয়েছে এবং ৩৫,২২১টি লাউডস্পিকারের ভলিউম বুধবার বিকেল ৪ টা পর্যন্ত পরামিতি অনুসারে সামঞ্জস্য করা হয়েছে।