এই কারণেই কেন্দ্রের ‘পেট্রোলিয়াম মন্ত্রককে’ ভেঙে দেওয়ার কথা বললেন অখিলেশ

0
10
Akhilesh Yadav

নয়াদিল্লি: দেশজুড়ে লাগামছাড়া ভাবে বাড়ছে পেট্রোপণ্যের দাম। পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে অন্যান্য সমস্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়ছে হু হু করে। এতেই মাথায় হাত পড়েছে সাধারণ মধ্যবিত্তের। সোনালি তরলের ‘বেপরোয়া’ মুদ্রাস্ফীতির হিসাবে বর্ণনা করে শনিবার বিজেপি-নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব।

বিজেপি-নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে অখিলেশ বলেছেন, কেন্দ্র সরকার ‘জনগণের থেকে ডাকাতি’ করছে এবং ‘সকলকে দরিদ্র করার’ চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেছিলেন যে “পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয় বন্ধ করা উচিত”। তিনি টুইটারে লিখেছেন, “যদি কোনো সরকারি বিধান, প্রশাসন বা ব্যবস্থাপনা জ্বালানির দামের এই বেপরোয়া বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে এবং সবকিছুই যদি বাজারের উপর নির্ভর করে তাহলে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের কী লাভ? এই মন্ত্রণালয়গুলি অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত।”

উল্লেখ্য পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে মঙ্গলবার রাজ্যের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি লোকসভায় বলেছিলেন যে ভারতে পেট্রোলের দাম বৃদ্ধি ইউক্রেনে যুদ্ধের কারণে হয়েছে। ভারতে দাম বাড়ছে কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত। পুরি সংবাদ মাধ্যমের সামনে বলেছেন, “আমরাই একমাত্র দেশ নই যা যুদ্ধ দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে।” তাঁর বক্তব্য ছিল “ভারতে জ্বালানির দামের বৃদ্ধি অন্যান্য দেশের মূল্যবৃদ্ধির ১০ ভাগের এক ভাগ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি এবং স্পেনে দাম ৫১ শতাংশ বেড়েছে, কিন্তু ভারতে দাম বৃদ্ধি মাত্র ৫ শতাংশ। এই দাবি করার পর থেকেই বিরোধীরা চড়া শুরু আক্রমণ শানিয়েছে। তবে এর আগে, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনও জোর দিয়ে বলেছিলেন যে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম কয়েকবার বেড়েছে এবং তাই ভারতে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি অনিবার্য।