মৃত্তিকা সংরক্ষণ করে পরিবেশ বাঁচানোর শিক্ষা, বড় উদ্যোগ নিউটাউনের স্কুলের

0
52

কলকাতা: পরিবেশকে নিয়েই বাঁচতে হবে এই সমাজকে। তাই পরিবেশ সুন্দর, সবুজ থাকলে আমরাও সুস্থ থাকব। আগামী প্রজন্মের মধ্যে এই বার্তাকেই প্রচার করতে উদ্যোগ নিল আচার্য তুলসী অ্যাকাডেমি অর্কিডস দ্য ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। এই স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা উদযাপন করলো বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস, যা গত ৫ ডিসেম্বর। নিউটাউনের অর্কিডস দ্য ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা সুস্থ জীবনের জন্য মাটির ভূমিকা জানতে পারল।

মৃত্তিকা সংরক্ষণের বিষয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য লেখা প্ল্যাকার্ডের প্রদর্শনী ও তার গুরুত্ব সম্পর্কে তৈরি করা একটি তথ্যচিত্রের সম্প্রচারও করা হয়।পাশাপাশি স্টুডেন্ট কাউন্সিলের সদস্যরা স্কুল ক্যাম্পাসের মধ্যেই একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করে। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা নিরন্তর অ্যাক্টিভিটি হিসেবেই ভবিষ্যতেও চালিয়ে যেতে চায়।

- Advertisement -

অর্কিডস দ্যা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অধ্যক্ষ শ্রীমতী শর্মিলি শাহ বলেন, “মাটির পৌষ্টিকতা হানি হল মাটির ক্ষয়ের প্রক্রিয়ার একটি উল্লেখযোগ্য দিক যা পৌষ্টিক খাদ্যের উপলভ্যতার ব্যাপারে একটি অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক স্তরে খাদ্য সুরক্ষা ও স্থায়িত্বের দিক দিয়েও সবচেয়ে গুরুতর সমস্যা হিসাবে ধার্য করা হয়। এই ধরনের অ্যাক্টিভিটির ফলে প্রথমত বাচ্চারা প্রকৃতির কাছাকাছি আসতে পারে এবং তার পাশাপাশি তাদের পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতার ব্যাপারেও শিক্ষা দেওয়া যায়। এই প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ তারা সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করতে সক্ষম হয় এবং তাদের প্রত্যেককে স্বতন্ত্রভাবে একটি স্থায়ী ও নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য ছোট ছোট পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করা সম্ভব হয়।”

 

আরও পড়ুন: সানিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুললেন Shoaib Malik

 

পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী শিবাঙ্গী ভট্টাচার্য বলে, “বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস উপলক্ষ্যে, আমরা অনেক চারাগাছ স্কুলে নিয়ে এসে আমাদের স্কুলের ক্যাম্পানের মধ্যে সেগুলি রোপণ করেছি। আমরা স্কুলের ক্যাম্পাসের মধ্যেই এমন কয়েকটি জায়গা পেয়েছি যেখানে পর্যাপ্ত পরিমাণে সূর্যালোক পড়ে এবং আমরা সেখানকার মাটিকে যথেষ্ট পরিমাণে উর্বর করেছি। তারপর সেই মাটিতে আমরা প্রয়োজন মতো জল ঢেলে সেখানে চারাগাছগুলি রোপণ করেছি। সবাই মিলে খুব আনন্দের সাথে আমরা এই আয়োজন সম্পূর্ণ করেছি এবং আমাদের সবার মিলিত প্রচেষ্টা এটি একটি উৎসবের আকার নিয়েছিল।”

আরও পড়ুন: শেষ হয়েও হইল না শেষ, LM10 নিয়েই মেতে ফুটবল বিশ্ব

স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের মাধ্যমে এখানে নিয়মিতভাবে নতুন চারাগাছ রোপণের পাশাপাশি গাছেদের বিকাশ ও বৃদ্ধির অনুকূল পরিবেশ সুনিশ্চিত করা হবে। এছাড়াও ছোট-ছোট চারাগাছের বেড়ে ওঠার ব্যাপারেও ধারবাহিকভাবে নজর দেওয়া হবে বলে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হল মৃত্তিকা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেতে থাকা চ্যালেঞ্জগুলি প্রতিরোধ করা, মৃত্তিকা সংক্রান্ত সচেতনতা আরও প্রসারিত করা এবং সমাজের প্রতিটি স্তরে মাটির স্বাস্থ্যের উন্নতির ব্যাপারে জনচেতনার উন্মেষ ঘটানো। সংরক্ষণে উৎসাহ প্রদান করার মাধ্যমে একটি সুস্থ ও স্বাস্থ্যবান বাস্তুতন্ত্র বজায় রাখার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতার প্রসার করা।