জর্জিয়া মেলোনির জয়লাভে অশনি সংকেত পাচ্ছেন ইতালিতে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা

0
25
Giorgia Meloni

খাস ডেস্ক: ইতালির প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন জর্জিয়া মেলোনি (Giorgia Meloni)। তাঁর কট্টর ডানপন্থী দল “ব্রাদার্স অব ইতালি” সকলের জন্য কাজ করবে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। কিন্তু ইতালির সবচেয়ে কট্টরপন্থী দল ক্ষমতায় আসায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বাংলাদেশিরা। নির্বাচনী ভাষণেই মেলোনি উল্লেখ করেছিলেন যে ক্ষমতায় এলে তাঁর প্রথম এবং প্রধান কাজ হবে অভিবাসন কমানো।

বর্তমানে ইতালিতে বৈধভাবে বসবাস করছেন প্রায় ১ লক্ষের বেশি বাংলাদেশি। এছাড়াও অনেকেরই এই মুহূর্তে বসবাসের বৈধ কাগজপত্র প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সেক্ষেত্রে নাগরিকত্ব অথবা বসবাসের জন্য বৈধ কাগজ পেতে সমস্যা হবে বলে মনে করছেন বাংলাদেশিরা। উপরুন্তু কট্টর ডানপন্থী মনোভাবা সম্পন্ন দেশে মুসলিম বিদ্বেষের শিকার হতে পারেন বলে আহঙ্কা প্রকাশ করছেন তাঁরা। বলা বাহুল্য, প্রতিবছর ইউরোপে প্রবেশের জন্য স্থলপথ এবং ভূম্যধ্যসাগর হয়ে ইতালিতে যান বহু মানুষ। তাদের মধ্যে বাংলাদেশি মানুষও থাকে। যাদের অনেকের কাছে বসবাসের বা কাজের জন্য বৈধ কাগজপত্র নেই। কিন্তু মুষ্টিমেয় মানুষের জন্য বৈধ কাগজপত্র রয়েছে এমন বাংলাদেশি মানুষদেরও ঝক্কি পোহাতে হবে বলে মনে করছেন অনেকে।

- Advertisement -

আরও পড়ুন- রাতের আঁধারে দুয়ারে সান্তাক্লজ, রেখে গেল পুজোর উপহার

যেমন, দু-বছর আগে ফ্যামিলি ভিসায় স্বামীর সঙ্গে ইতালি গেছেন সাইমুন শরীফ জেসি। ভেনিসের একটি হোটেলে কাজ করেন তিনি। বর্তমানে “টেম্পোরারি রেসিডেন্সি” পেয়েছেন তিনি, আগামী ডিসেম্বরে সেটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। তারপর কি হবে সেই নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন এই বাংলাদেশি। তবে এই বিষয়ে ইতালির বাংলাদেশ সমিতির সভাপতি নূর আলম সিদ্দিকি বাচ্চু বলেন, “অভিবাসিদের প্রতি যত কঠোরই হোক না কেন, তাঁদের সরাসরি দেশে ফেরত পাঠাতে পারবে না সরকার। কিন্তু হয়ত তাঁদের ওপর কড়া নিয়ম চাপানো হবে”।

বলা বাহুল্য, গত বেশ কয়েক বছর ধরে ভূমধ্যসাগর এবং লিবিয়া হয়ে বহু মানুষ ইতালি ও গ্রিসে প্রবেশ ইউরোপের দেশগুলিতে অবৈধভাবে ঢোকার জন্য ইতালিকেই তাঁরা ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করেন। যার ফলে দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন মেলোনি (Giorgia Meloni)।