পুলিশের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ নিহত কিশোরের বাবার: Rahra Blast Case

0
14

প্রতিবেদন: রহড়ার মধ্যপাড়ায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় এবার পুলিশের বিরুদ্ধেই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে আনলেন নিহত কিশোরের বাবা৷ তাঁর অভিযোগ, ঘটনায় যুক্ত দোষীদের কাউকেই পুলিশ এখনও গ্রেফতার করেনি৷ উল্টে তাঁদের মানসিকভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে৷

মৃত শেখ সাহিলের বাবা শেখ আবুল এদিন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘বোমা বিস্ফোরণে আমার ছেলে মারা গেল৷ আর দোষীদের গ্রেফতার না করে পুলিশ আমাদের ওপরেই চাপ সৃষ্টি করছে৷’’ আবুল বলেন, ‘‘পুলিশ আমাকে বলছে, এই ব্যবসা কবে থেকে করছো! আমি টোটো চালিয়ে খাই৷ বউ লোকের বাড়িতে কাজ করে৷ ছেলেটা কলকাতায় প্লাস্টিক কারখানায় কাজ করত৷ আমি বোমা ব্যবসা করলে ওদের কি এমন কাজ করার দরকার পড়ত? আর কেউ যদি বোমার ব্যবসা করে, তাহলে কি নিজের বাড়িতে বোমা রাখে?’’

স্থানীয়দের দাবি, শনিবার রহড়া থানার মধ্যপাড়ায় থানার পেছনদিকে মাঠে আবর্জনার পরিষ্কার করতে গিয়ে একটি কৌটো দেখতে পান শেখ সাহিলের দাদু। তিনি সেই কৌটো বালতি করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। সেই কৌটৌটি খেলাচ্ছলে শেখ সাহিল বাড়ির সামনে ল্যাম্পপোস্ট ছুঁড়ে মারাতে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের আঘাতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শেখ সাহিলকে(১৭) প্রথমে ব্যারাকপুর বি এন বোস মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে সাগর দত্ত হাসপাতালে স্থানান্তরিত করলে সেখানে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করে।

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় এদিনও সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এদিন ফের বিস্ফোরণস্থল পরিদর্শন করেন পুলিশের কর্তারা৷ ঘটনাস্থলের অদূরে রহড়া থানা৷ স্বাভাবিকভাবে কিভাবে সেখানে এই বোমা এল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে৷ তারই মাঝে নিহত কিশোরের বাবার অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়৷ যদিও এদিন পুলিশের তরফে জানানো হয়, ‘‘নিহত কিশোরের পরিবারের অভিযোগ ঠিক নয়৷ কোনও চাপ দেওয়া হচ্ছে না৷ তদন্তের স্বার্থেই সবকিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷ শীঘ্রই অপরাধীরা ধরা পড়বে৷’’

আরও পড়ুন: যশোর রোডের উপরে শিরিষ গাছের ডাল ভেঙে দু’জনের মৃত্যু, অবরোধ