কেন কাঁথি যাচ্ছেন অভিষেক, জানালেন শুভেন্দু

0
59
suvendu adhikari

কলকাতা : “আমার বৃদ্ধ বাবা-মাকে বিরক্ত করার জন্য যাচ্ছে। এটা অসভ্যতামি। এটা তৃণমূলের কালচার। আগামী মাসে ৩ রা ডিসেম্বর কাঁথিতে যাচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।” এই বিষয়ে মুখ খুললেন শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)। “আমাকে টাচ করতে পাচ্ছে না। যত এইরকম করবে তত শক্তিশালী হব আমি।” পাশাপাশি তাঁর দাবি মুখ্যমন্ত্রীর নেত্রিত্তে যারা অযোগ্যদের চাকরি ক্ষেত্রে সুপারিশ করেছেন তাঁদের জেল চাই।

আরও পড়ুন : জামিনের আর্জি নাকচ, ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতে পার্থ সহ নিয়োগ দুর্নীতি মামলার অভিযুক্তরা

- Advertisement -

এদিন আরও দাবি করেন বিরোধী দলনেতা। বলেন, ” আমরা বাজেট সেশনে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনব। প্রাথমিকস্তরে এমনটাই আলোচনা হয়েছে। বিরোধীদের বঞ্চনা করার জন্য এই অনাস্থা আনা হবে। হাইকোর্টে আবেদন করেছি যাতে অবিলম্বে সচিব যোগ দেন। কারণ সচিবালয় কোন রাজনৈতিক দলের হতে পারে না। সচিবালয় মেনশন কেস গ্রহণ করবে না এমনটা হতে পারে না। সচিবালয়ে যারা কাজ করেন তাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসের টাকায় বেতন পান না। তাঁরা করের টাকায় বেতন পান।” বললেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিকে এই ঘটনায় স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, “অস্ট্রেলিয়ান ডেলিগেটরাও বলে গেছেন এই একমাত্র বিধানসভা যেখানে বিরোধীদের এত মর্যাদা দেওয়া হয়। বিরোধীদেরও জানতে হবে স্পিকারকে কিভাবে মর্যাদা দিতে হবে।  স্পিকারের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষার দায়িত্ব বিরোধীরও। হাউজের মধ্যে তাঁরা রয়েছেন। তাঁরা মেনশন দিয়েছেন। তাঁদের নাম ধরে ডাকা হচ্ছে। তাঁরা রেসপন্স না করে বেড়িয়ে গেলেন। তাই ২ দিন ওঁরা মেনশন দিলে অনুমোদন দেওয়া হবে না।“

আরও পড়ুন :মইনপুরী লোকসভা কেন্দ্রে জিততে বাবা ‘নেতাজির’ নামে স্ত্রী ডিম্পল যাদবের হয়ে ভোট চাইলেন অখিলেশ

আরও পড়ুন :মৃত বান্ধবীর আংটি খুলে নতুন বান্ধবীকে উপহার, শ্রদ্ধা খুনে আফতাবের নৃশংসতায় হতবাক পুলিশও

পাশাপাশি শুভেন্দুর দাবি, “আমার পরিবার ব্রিটিশ খ্যাদানো পরিবার। আমার মা খুব শক্তিশালী। বিপিন অধিকারী ৮ বছর জেলে ছিলেন। আমাদের বাড়ির প্রত্যেকটা মহিলা মাতঙ্গিনী হাজরারা অনুরাগী। এবার কাঁথি লোকসভায় ২ লাখ ভোটে জিতব।” প্রসঙ্গত বালিতে একটি সভাতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, শুভেন্দুর কী সুন্দর চেহারা ছিল। এখন একটা হনুমানের মতো হ্যাও হ্যাও হ্যাও হ্যাও করছে। কী রে ভাই! কী সুন্দর দেখতে ছিল। দিদির কাছে থাকো। ভালো খানা খাবে। ভালো থাকবে। আশীর্বাদ পাবে। দিদিকে প্রণাম করেছ কাল। আর আজকেই দেখছি কী সুন্দর লাগছে তোমার চেহারাটা।“ এভাবে কার্যত শুভেন্দুর চেহারা নিয়ে কুকথা এবার তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। তা নিয়ে জবাবও দিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর মতে, আসলে হারের জ্বালাটা ভুলতে পারছে না তৃণমূল। আরও দুর্নীতির কথা সামনে আনব। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, কয়লাকে যতই ধোয়া হোক রঙের বদল হয় না। তৃণমূল যারাই যান তাঁদেরই ঠিক সেই অবস্থাই হয়। এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে দেবাংশু ভট্টাচার্য (debanshu bhattacharya) বলেন, শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari) হনুমানের মতো দেখতে কিনা জানি না। তবে তাঁর চরিত্রটা হনুমানের মতো হয়ে যাচ্ছে।