”সুজিত বাবু বিশ্ব বাংলা থেকে ঘ্যাচাং ফু করে দেব”, নরম সুরে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

0
38
mamata banerjee

কলকাতা ঃ গত বছর বুর্জ খলিফা করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল শ্রীভূমি স্পোর্টিং । কাতারে কাতারে মানুষ জমায়েত হয়েছিলেন শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের পুজো দেখতে। কিন্তু প্যান্ডেলে তাক লাগাতে গিয়ে সমস্যা বেড়ে গিয়েছিল অনেক। বিমান চলাচলে অসুবিধা হয়েছিল। উঁচু প্যান্ডেল, সেই সঙ্গে জমকালো লাইটিং দারুণ সমস্যায় ফেলেছিল বিমানচালকদের। জানা গিয়েছিল এই ঘটনায় দারুণ রেগে গিয়ে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee)।

শ্রীভূমি স্পোর্টিংয়ের পুজো মন্ত্রী সুজিত বসুর পুজো নামে খ্যাত। প্রতি বছর এই বিগ বাজেটের পুজোটিতে জমকালো থিম রাখা হয়। এবারও তার অন্যথা হয়নি। এই বছরের পুজোর থিম ভ্যাটিকান সিটি। তবে গত বছরের থেকে শিক্ষা নিয়ে এবছর বেশ সাবধানী শ্রীভূমি স্পোর্টিং । বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শ্রীভূমি স্পোর্টিংয়ে পুজোর উদ্বোধনে গিয়ে সাফ জানিয়ে দিলেন প্যান্ডেলের জন্য বিমান চলাচলে অসুবিধা হবে, এমনটা তিনি বরদাস্ত করবেন না। তবে কড়া ভাবে নয় নরম সুরেই তাঁর অপছন্দের বিষয়টি সাফ জানিয়ে দিলেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন ”সুজিত বাবুকে একটাই অনুরোধ । বাবু বলছি। রাস্তা যেন বন্ধ না হয়। লোকে প্লেন ধরতে পারল না কোথাও যেতে পারল না এমনটা যেন না হয়।” বিধাননগর পুলিশ কমিশনার এখন গৌরব শর্মা। শ্রীভূমি স্পোর্টিংয়ে উপস্থিত ছিলেন তিনিও। তাঁকে উদ্দেশ্য করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন , ”গৌরব তুমি কিন্তু দেখে নিও, কিছু হলে আমি তোমাকে দেখব। ”সুজিতের উদ্দেশে তাঁর আরও বার্তা ”মন্ত্রী হলে সামগ্রিক দায়বদ্ধতা থাকে। তিনি একটি ক্লাবের কর্তা হয়ে গেলে চলবে না। ভিআইপি রোড যেন সচল থাকে। পুজোর সময় আমি ছুটি কাটাই না। মানুষ রাস্তায় থাকে। আমি তাঁদের পাহারাদার হিসেবে থাকি। এরপর যদি অন্য কিছু হয় আর বাবু থাকবে না। বিশ্ব বাংলা থেকে ঘ্যাচাং ফু করে দেব। ”

- Advertisement -

প্রসঙ্গত গতবছর দর্শনার্থীদের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের (shree bhumi sporting club) পুজো মণ্ডপ। সূত্রের খবর, করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ভিড় এড়ানোর জন্য সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই পরিস্থিতিতে মহাষ্টমীর রাত থেকেই দর্শনার্থীদের জন্য সাময়িকভাবে ‘বুর্জ খলিফা’ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তড়িঘড়ি মণ্ডপের সামনের ভিড় খালি করতে থাকে পুলিশ। যে মণ্ডপের সামনে একটা সময় তিল ধারণের জায়গা ছিল না, তা মহাষ্টমীর রাত ১১ টায় কার্যত খাঁ খাঁ করতে থাকে।