Sand stolen: দিনে দুপুরে জেসিবির সাহায্যে নদী থেকে চুরি হচ্ছে বালি, ‘নীরব’ প্রশাসন

0
34

তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: সরকারি নিষেধাজ্ঞাই সার। দিনে দুপুরে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর মহকুমা এলাকার দ্বারকেশ্বর নদীর বিভিন্ন ঘাট থেকে জেসিবি-র সাহায্যে বালি তোলা হচ্ছে। আর সেই বালি বিশালাকার সব লরি বোঝাই হয়ে চলে যাচ্ছে নির্দিষ্ট গন্তব্যে। জেসিবি দিয়ে ধারাবাহিকভাবে বালি উত্তোলনের ফলে নদী তার স্বাভাবিক গতিপথ বদলাচ্ছে। চাষযোগ্য জমি থেকে বাস্তুভিটে চলে যাচ্ছে নদী গর্ভে। প্রশাসন সব জেনে বুঝেও নিশ্চুপ বলে অভিযোগ।

বিষ্ণুপুর মহকুমা ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক ফাল্গুনী সৎপথি বলেন, ‘‘বালি খাদান সরকারিভাবে লিজ দেওয়ার সময়ই মেশিনের সাহায্য নিয়ে বালি তোলা যাবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। এর পরেও এই ধরণের কাজ হলে সর্বোচ্চ ১ লক্ষ টাকা জরিমানা এবং লাইসেন্স বাতিল হতে পারে৷’’

স্থানীয়দের দাবি, জেসিবি দিয়ে বালি তোলার ফলে এক দিকে কর্মসংস্থানের সুযোগ কমছে। অন্যদিকে ‘ওভার লোডিং’ বালি বোঝাই লরি গ্রামের রাস্তা দিয়ে যাতায়াতের ফলে সমস্যা বাড়ছে। পিচ উঠে রাস্তায় তৈরি হচ্ছে বড় বড় গর্ত৷ ফলে ভাঙাচোরা রা্তায় বাড়ছে দুর্ঘটনার ঘটনা৷ স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক হরকালী প্রতিহারের অভিযোগ, ‘‘পুলিশ প্রশাসনের মদতে’ এই কাজ হচ্ছে।’’ অবিলম্বে এই কাজ বন্ধ না হলে তিনি পথে নামতে বাধ্য হবেন বলে জানান।

অন্যদিকে বেআইনি বালি তোলার রমরমা কারবারের জন্য পরোক্ষে বাঁকুড়া জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে দায়ী করেছেন বিজেপির রাজ্য সহ সভাপতি ও বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ৷ তিনি বলেন, ‘‘ওরা (ডিএম, এসপি) রাজ্য সরকারের মুখপাত্র হিসেবে বালি বিক্রির ‘ঠিকা’ নিয়েছেন৷ সব পাঠাচ্ছেন কালীঘাটে৷’’

এবিষয়ে তৃণমূল নেতা দিলীপ আগরওয়ালকে প্রশ্ন করা হলে বিজেপি সাংসদের দিকে পাল্টা অভিযোগের আঙুল তুলে বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে জেলা প্রশাসন অবৈধ বালি উত্তোলন বন্ধ করেছিল। ফের বিজেপি সাংসদ-বালি মাফিয়া যোগসাযোশে ওই কাজ শুরু হয়েছে। গ্রিন ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে জেসিবি দিয়ে নদী থেকে বালি উত্তোলন নিষিদ্ধ। এর পরেও তা কেন হচ্ছে?’’ জেলা পুলিশ প্রশাসনের অবশ্য কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি৷

আরও পড়ুন: কি করে জোঁকের গায়ে দেশি নুন দিতে হয় সেটা Suvendu Adhikari জানে

আরও পড়ুন: এবার কার্ড ছাড়াই ATM থেকে তোলা যাবে টাকা