ঘুরে দেখলেন মণ্ডপ, সল্টলেকে পুজোর উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী

0
26
durga puja

কলকাতা ঃ  সল্টলেক FD ব্লকে প্রদীপ জ্বালিয়ে দুর্গা পুজোর (durga puja) উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘুরে দেখলেন মণ্ডপ। এবছর FD ব্লকের পুজো ৩৮ তম বর্ষে পদার্পণ করছে।

সল্টলেক FD ব্লকের পুজো মানে থিমের ভিড়। থাকবে চমক। এই বছরও তাঁর ব্যতিক্রম নয়। এবার পুজোর থিম আদিবাসী গ্রাম। রয়েছে খড়ের তৈরি বাড়ি আদিবাসী মূর্তি। সব মিলিয়ে একটি ছোট্ট সুন্দর আদিবাসী গ্রামের ছবি ফুটে উঠেছে। মণ্ডপের ভিতরে রয়েছে দেবী দুর্গার সনাতনী মূর্তি। মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুজো উদ্বোধন করায় বেজায় খুশি পুজো উদ্যোক্তারা। তাঁদের আশা এই বছর সল্টলেক FD ব্লকের পুজোয় ভিড় আরও বাড়বে।

- Advertisement -

সল্টলেক FD ব্লকের পাশাপাশি শ্রীভূমি স্পোর্টিংয়ের পুজো উদ্বোধন (durga puja) করেন মুখ্যমন্ত্রী। নরমে গরমে সুজিত বসুকে কড়া বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শ্রীভূমি স্পোর্টিংয়ে পুজোর উদ্বোধনে গিয়ে সাফ জানিয়ে দিলেন প্যান্ডেলের জন্য বিমান চলাচলে অসুবিধা হবে, এমনটা তিনি বরদাস্ত করবেন না। তবে কড়া ভাবে নয় নরম সুরেই তাঁর অপছন্দের বিষয়টি সাফ জানিয়ে দিলেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন ”সুজিত বাবুকে একটাই অনুরোধ । বাবু বলছি। রাস্তা যেন বন্ধ না হয়। লোকে প্লেন ধরতে পারল না কোথাও যেতে পারল না এমনটা যেন না হয়।” বিধাননগর পুলিশ কমিশনার এখন গৌরব শর্মা। শ্রীভূমি স্পোর্টিংয়ে উপস্থিত ছিলেন তিনিও। তাঁকে উদ্দেশ্য করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন , ”গৌরব তুমি কিন্তু দেখে নিও, কিছু হলে আমি তোমাকে দেখব। ”সুজিতের উদ্দেশে তাঁর আরও বার্তা ”মন্ত্রী হলে সামগ্রিক দায়বদ্ধতা থাকে। তিনি একটি ক্লাবের কর্তা হয়ে গেলে চলবে না। ভিআইপি রোড যেন সচল থাকে। পুজোর সময় আমি ছুটি কাটাই না। মানুষ রাস্তায় থাকে। আমি তাঁদের পাহারাদার হিসেবে থাকি। এরপর যদি অন্য কিছু হয় আর বাবু থাকবে না। বিশ্ব বাংলা থেকে ঘ্যাচাং ফু করে দেব। ” প্রসঙ্গত গতবছর দর্শনার্থীদের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের পুজো মণ্ডপ। সূত্রের খবর, করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ভিড় এড়ানোর জন্য সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই পরিস্থিতিতে মহাষ্টমীর রাত থেকেই দর্শনার্থীদের জন্য সাময়িকভাবে ‘বুর্জ খলিফা’ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তড়িঘড়ি মণ্ডপের সামনের ভিড় খালি করতে থাকে পুলিশ। যে মণ্ডপের সামনে একটা সময় তিল ধারণের জায়গা ছিল না, তা মহাষ্টমীর রাত ১১ টায় কার্যত খাঁ খাঁ করতে থাকে।