রাতের অন্ধকারে বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি, অভিযোগ কবির ভিটে-মাটি দখল করতে তৎপর প্রতিবেশী

0
26
santipur jatindranath sengupta house

শান্তিপুর: জোরপূর্বক ভিটে মাটি দখলের অভিযোগ। কবি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তর (poet jatindranath sengupta) ভিটেমাটি দখল করে ঘর করছে প্রতিবেশী এক পরিবার। প্রতিবাদ করলে স্থানীয়দের হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে, অভিযোগ।

আরও পড়ুন : পুলিশের নজর এড়াতে হোটেলে ঠাঁই, রমরমিয়ে চলছিল ভুয়ো কল সেন্টারের কারবার

- Advertisement -

শান্তিপুরের (santipur) হরিপুর অঞ্চলের সেন পাড়া। এখানেই রয়েছে কবি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের (jatindranath sengupta) পৈত্রিক ভিটে মাটি । দিনের পর দিন একটু একটু করে দখল হয়ে যাচ্ছে । অভিযোগ প্রতিবেশীরাই একটু একটু করে দখল করে নিচ্ছেন। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি নজরে আসতেই তাঁরা অভিযুক্ত প্রতিবেশীকে বারণ করেন। কিন্তু তাঁদের বিধিনিষেধে বিন্দুমাত্র কর্ণপাত করা হয়নি। এমনকি রাতের অন্ধকারে প্রতিবেশী পরিবারের এক সদস্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিয়ে আসছে। ধৈর্যচ্যুত হয়ে আজ, বৃহস্পতিবার শান্তিপুর (santipur) থানার দ্বারস্থ হয় এলাকার মানুষ। দখলবাজি (occupy) রুখতে একটি মার্চ পিটিশন জমা দেওয়া হয় শান্তিপুর থানায়।

আরও পড়ুন :ফের মানিকের জামিন নিয়ে জট, আদালতে কি বললেন আইনজীবী…

আরও পড়ুন :বাড়ির মধ্যে হঠাতই সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মৃত মা ও ৪ বছরের সন্তান

এলাকাবাসীর দাবি কবি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তর (poet jatindranath sengupta) জমি অবৈধভাবে দখল করা চলবে না। পুলিশ (police) এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। স্বাভাবিকভাবে এই ঘটনায় এলাকায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। এলাকাবাসীর দাবি কবি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তর জমি অবৈধভাবে দখল করা চলবে না। পুলিশ এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। স্বাভাবিকভাবে এই ঘটনায় এলাকায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। প্রসঙ্গত ১৮৮৭ সালের ২৬ জুন কালনার পাতিলপাড়ায় মামারবাড়িতে জন্ম হয় যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের। হরিপুর গ্রামের বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করতে-করতেই বারো বছর বয়সে তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য চলে যান কলকাতায়। পরে এক সময়ে নদিয়া জেলা বোর্ডে চাকরি পান কবি। ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘মরীচিকা’। পরে ‘মরুমায়া’, ‘মরুশিখা’, ‘ত্রিযামা’-সহ একাধিক কাব্যগ্রন্থে নিজ প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি। বর্তমানে শান্তিপুরে কবির বসতবাড়ি অবহেলায় পড়ে রয়েছে। সংস্কারের অভাবে জীর্ণ দশা সেটির। রয়েছে একটি স্মৃতিফলক। বাড়িটি সংস্কারের দাবি এলাকার বাসিন্দারা অনেক দিন ধরেই তুলেছেন। প্রশাসনের কাছেও তাঁরা আর্জি জানিয়েছিলেন। তারই মাঝে কবির বসত ভিটে দখলের অভিযোগ উঠে এল।