গ্রাম থেকে চুরি যেত একের পর এক টোটো , পাচার হত ভিন জেলায়, অবশেষে পুলিশের জালে অভিযুক্তরা

0
70

খেজুরি: রাতের অন্ধকারে জলপথে ভিন জেলাতে চলত টোটো পাচার। গোপনসুত্রে খবর পেয়ে, টোটো চুরি ভিন জেলাতে পাচার করার অভিযোগে মূল পাণ্ডা সহ দুই দুষ্কৃতিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় খেজুরি বিধানসভা এলাকায়।

আরও পড়ুনঃ Mamata Banerjee: দিদিই শেষ কথা, বেনোজল দূর করতে তৎপর তৃণমূল

- Advertisement -

জানা গিয়েছে, গতবছর খেজুরি থানার বিস্তীর্ণ এলাকায় রাতের অন্ধকারে একের পর এক টোটো চুরি যাচ্ছিল। এনিয়ে থানায় একাধিক অভিযোগও দায়ের হয়েছিল। অভিযুক্তদের ধরতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয় পুলিশের। অবশেষে গোপনসূত্রে খবর আসে, খেজুরি সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় টোটো গুলি চুরি করে রাতের অন্ধকারে জলপথে পাচার করছিল বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতিকারী যুবক। শুধু পূর্ব মেদিনীপুর নয় দক্ষিণ ২৪ পরগনাতে একটি চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এরপরই খেজুরি থানার পুলিশের একটি তদন্তকারী দল হানা দেয় সেই এলাকায়। চুরি চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে, পূর্ব মেদিনীপুরে দুই যুবক ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলার সাগর থেকে আরও এক মূলপাণ্ডাকে গ্রেফতার করে। যদিও এখনও পর্যন্ত চুরি যাওয়া টোটো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ বেনিয়মের দায়ে নিজের আপ্ত সহায়ককে পুলিশের হাতে তুলে দিলেন তৃণমূলের তারকা বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী

অভিযুক্তরা হল দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় সাগর থানার রাধাকৃষ্ণপুর গ্রামের জালাল উদ্দিন, নন্দীগ্রামের তাজপুরের বাসিন্দা তাপস নাথ ও গোপীমোহনপুরে শেখ জান আলম। সোমবার অভিযুক্তদের কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হয়। বিচারক তাদের জামিন নাকচ করে ৫ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, খেজুরি সহ বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে টোটো গুলি চুরি করে জলপথে পাচার করা হচ্ছিল। এই ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন যুক্ত রয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান। তাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

এই বিষয়ে, খেজুরি থানার ওসি কামার হাসিদ বলেন, “টোটো চুরি চক্রের তদন্তে নেমে এখনও পর্যন্ত তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তের কারণে অভিযুক্তদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। যদিও তদন্তের কারণে বেশি কিছু তথ্য জানাতে রাজি হননি তিনি “।