“বাম-বিজেপির গলাগলি”, অভিষেকের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে পাল্টা ‘ঘোমটা’ খুললেন মীনাক্ষী

নওশাদ নিয়ে মুখ খুললেন এই বামনেত্রী

0
64
minakshi mukherjee

হাওড়া: “ঘোমটা খুলে গেছে। তাই এখন নতুন তাস দিতে হচ্ছে”। কেশপুরে অভিষেকের মন্তব্যের পাল্টা মন্তব্য বামনেত্রী মীনাক্ষী’ মুখোপাধ্যায়ের (minakshi mukherjee)। গতকাল অর্থাৎ শনিবার কেশপুরের সভায় অভিষেক বলেন, “সিপিএম (CPIM), বিজেপিকে (bjp) বলব গলাগলি না করে একা লড়ুন।”

আরও পড়ুন :কেন্দ্রীয়বাহিনীর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ বাগদায়

- Advertisement -

“ওনাকে ( অভিষেক ) বলতে দিন। চিরকালই উনি ওটা করেন। আসলে সব একটার পর একটা ঘোমটা খুলে গেছে। তাই এখন নতুন তাস দিতে হবে। আগে যত চুরি করেছে যা যা দুর্নীতি হয়েছে সেই চুরি দুর্নীতি থেকে নিজেদের নামগুলো পরিষ্কার করার ব্যবস্থা করুক।” অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে মীনাক্ষী আরও বলেন, “শুধু বীরভূম কেন গোটা রাজ্য জুড়েই এখন বোমা, গুলি, বারুদ। গুনে দেখুন, গত “২২ শে জুলাই থেকে শুরু হয়েছে। মাঝে একটা সপ্তাহ বাদ নেই। গোটা রাজ্যের নানা প্রান্ত বোমা, গুলি, বারুদের স্তুপে পরিণত হচ্ছে। কেউ কি গ্রেফতার হয়েছেন ? তাদেরকে কি তলব করেছেন ? রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রী, ডিআইজি, ডিজি তাঁদের পাত্তা কোথায় ? সবাই চুপ করে বসে রয়েছেন। সবাই হতে দিচ্ছেন।” নওশাদ সিদ্দিকী’র গ্রেফতারির প্রসঙ্গে মীনাক্ষী এদিন বলেন, ‘গণতন্ত্রের পক্ষে লড়াই করতে গিয়েছেন। যারাই গণতন্ত্রের পক্ষে লড়াই করেন পুলিশ তাদেরকেই জেলে ভরে দিচ্ছে। নওশাদ সিদ্দিকী এই রাজ্যের বিধায়ক। তাঁর সঙ্গে পুলিশ, বিচারব্যবস্থা, প্রশাসন যে ঘৃণ্য আচরণ করছে পশ্চিমবাংলার মাটিতে এটা কোনওভাবেই কাম্য নয়। কিন্তু পশ্চিমবাংলার মাটিতে এই কাজ দীর্ঘদিন ধরেই হয়ে আসছে। এবার এগুলোকে বন্ধ করার সময় এসেছে। গোটা রাজ্যের মানুষকে বলব এই বিষয়ে এককাট্টা হয়ে দাঁড়ান।”

আরও পড়ুন :প্রাক্তন পাক প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ একাধিক ভারতীয় রাজনীতিবিদের

আরও পড়ুন :ভিড় বাসে সরতে বলতেই কন্ডাক্টরের মুখে সটান ঘুষি বাসযাত্রীর, মুহূর্তের মধ্যে রক্তাক্ত পরিস্থিতি

প্রসঙ্গত অনূর্ধ-১৯ টি-টোয়ন্টি বিশ্বকাপ জয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হৃষিতা বসু’কে অভিনন্দন জানাতে রবিবার সকালে হাওড়ায় যান মীনাক্ষী। হৃষিতাকে শুভেচ্ছা সম্বর্ধনা দেওয়ার পাশাপাশি অনুপ্রেরণা দেন তিনি। মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় (minakshi mukherjee)বলেন, ‘হৃষিতা ওর মতো খেলে যাক। ওকে দেখে যাতে গোটা দেশ তথা আমাদের রাজ্যের ছেলেমেয়েরা এই খেলায় আরও উৎসাহিত হয় এবং তাঁরাও যাতে খেলার একটা পরিবেশ পায় সেটাই চাই।”