অবৈধ নিয়োগ মামলায় এখনই CBI তদন্ত নয়

এই মামলায় স্কুল শিক্ষা সচিবকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল

0
24
supreme court

কলকাতা: কার নির্দেশে ‘অবৈধ’দের চাকরিতে পুনর্বহালের আবেদন করা হয়েছে আদালতে? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার দায়িত্বভার সিবিআইকে (CBI) দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। আবেদন করা হয় ডিভিশন বেঞ্চে। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ সেই নির্দেশ বহাল রাখে। এবার তাতেই অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল শীর্ষ আদালত (supreme court)  । পাশাপাশিই, আদালত জানিয়ে দিল রাজ্যের স্কুল শিক্ষা সচিব মণীশ জৈনকেও আপাতত সশরীরে হাই কোর্টে হাজির হতে হবে না।

আরও পড়ুন : হীরা মন্ডল কি ফিরছেন ইস্টবেঙ্গলে রইল বড় আপডেট

- Advertisement -

শীর্ষ আদালতে মামলাটি স্থগিতাদেশের অর্থ এই বিষয়ে এখনই তদন্ত করবে না সিবিআই (CBI)। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের নির্দেশে চাকরি হারিয়েছেন কয়েকশো চাকরিজীবী। সম্প্রতি কমিশনের পক্ষ থেকে তাঁদের পুনর্বহালের আবেদন করা হয়েছিল উচ্চ আদালতে। কমিশন জানায় যারা চাকরি হারিয়েছেন তাঁদের পরিবার রয়েছে। বিষয়টি সহানুভূতির সঙ্গে দেখা হোক। এরপরই কমিশনের কড়া সমালোচনা করে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, যাঁদের চাকরি গিয়েছে, তাঁদের জন্য অন্য কাজের ব্যবস্থা করা হোক। তবে শিক্ষকতার কাজ নয়। কারণ, তা হলে যোগ্যরাই চাকরি পাবেন না। এর পরেই আবেদন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।

আরও পড়ুন : বিধায়কের প্রশ্ন শোনা মাত্রই স্বাস্থ্য দফতর ও জেলা পুলিশকে হুঁশিয়ারি মমতার

বুধবার বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে কমিশন জানায়, ত্রুটি বুঝতে পেরেই ওই আবেদন প্রত্যাহার করা হয়েছে। মামলায় সিবিআই (CBI) তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। স্কুল শিক্ষা সচিবকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়। একক বেঞ্চের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই উচ্চ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য। সেই আবেদন ফিরিয়ে দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, ‘‘এটা অত্যন্ত বিস্ময়কর যে, কমিশন কী ভাবে অবৈধদের চাকরি দেওয়ার এ রকম একটা আবেদন করল? কী ভাবে অতিরিক্ত শূন্যপদ অযোগ্য প্রার্থীদের দিয়ে পূরণ করানোর কথা ভাবা হল?’’ এর পরেই সুপ্রিম কোর্টে (supreme court) যায় রাজ্য।