Gangasagar Mela: বাংলায় গঙ্গাসাগর মেলা ‘সুপার-স্প্রেডার’ হবে, আশঙ্কাপ্রকাশ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের

গঙ্গাসাগর মেলায় লক্ষাধিক পুণ্যার্থীদের ভিড় জমে। ভারতে আঘাত হেনেছে করোনার তৃতীয় ঢেউ। এই সময়ে একসঙ্গে এত মানুষের সংক্রমণ বিদ্যুতের গতিতে ছড়িয়ে পড়ার উল্লেখ্যযোগ্য কারণ হতে পারে বলেই জানানো হচ্ছে।

0
2693

কলকাতা: ভারতে লাগামছাড়া গতিতে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এই সময়ে বড় কোনও জমায়েত দেশের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে বলেই বারবার সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। আগামী ১৪ জানুয়ারি রয়েছে মকর সংক্রান্তি। এই উপলক্ষে শুরু হয়েছে গঙ্গাসাগর মেলা। কিন্তু এই মেলা নিয়েই বারবার সতর্ক করেছেন সকলেই। তবে এবার স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা আবারও সতর্ক করে জানিয়েছেন, গঙ্গাসাগর মেলাকে অনুমতি দেওয়া একটি ‘সুপার-স্প্রেডার’ ঘটনা হতে পারে।

গঙ্গাসাগর মেলায় লক্ষাধিক পুণ্যার্থীদের ভিড় জমে। ভারতে আঘাত হেনেছে করোনার তৃতীয় ঢেউ। এই সময়ে একসঙ্গে এত মানুষের সংক্রমণ বিদ্যুতের গতিতে ছড়িয়ে পড়ার উল্লেখ্যযোগ্য কারণ হতে পারে বলেই জানানো হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন যে মেলা, হরিদ্বার এবং প্রয়াগে অন্যান্য স্থানের মধ্যে অনুষ্ঠিত কুম্ভ মেলার অনুরূপ হতে পারে। জানানো হয়েছে, এই সমাবেশ ‘করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের বড় উত্স” হতে পারে। ডাঃ অনিমা হালদার, যিনি রাজ্যের সংক্রামক রোগ এবং বেলেঘাটা জেনারেল (আইডি অ্যান্ড বিজি) হাসপাতালের অধ্যক্ষ বলেছেন, “”এটি (গঙ্গাসাগর মেলা) অবশ্যই একটি সুপার-স্প্রেডার হবে। এতে কোন সন্দেহ নেই। লক্ষাধিক লোক জমায়েত হবে এবং আমরা আশঙ্কা করি করোনা সুরক্ষা প্রোটোকল লঙ্ঘন হবে।”

আরও পড়ুন- Ladakh Issue: বর্তমান পরিস্থিতি ‘স্থিতিশীল’, লাদাখ নিয়ে ভারত-চিনের বৈঠকের আগে বার্তা বেজিং-এর 

তিনি আরও জানিয়েছেন, “এটি অবশ্যই ভাইরাসের সংক্রমণযোগ্যতাকে বাড়িয়ে তুলবে। এই মেলা অবশ্যই সংক্রমণের (করোনা ভাইরাসে) বড় উত্স হবে। প্রতিদিনের আক্রান্তের সংখ্যা আমরা এখন যা দেখছি তার থেকে অনেক বেশি হবে।” ডাঃ হালদার উল্লেখ করেছেন যে এই মেলা উপসর্গবিহীন সংক্রামিত ব্যক্তিদের সাহায্যে “বড় সংখ্যায় যারা এখনও সংক্রামিত হয়নি তাদের আক্রান্ত” হওয়ার সুযোগ করে দেবে। এই মেলা জ্যামিতিক অগ্রগতিতে ভাইরাসকে ছড়িয়ে দিতে সহায়তা করতে পারে বলেই তিনি উল্লেখ করেছেন। তবে এই প্রসঙ্গে বলা ভালো শর্তসাপেক্ষে গঙ্গাসাগর মেলার ছাড়পত্র দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। মেলায় প্রবেশের ক্ষেত্রে ডাবল ডোজের ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেট অথবা ৭২ ঘন্টা আগের কোভিড নেগেটিভ রিপোর্ট বাধ্যতামূলক। তবে এই নির্দেশ কতটা মানা হবে তা নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন।