নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বাংলাদেশের জলসীমা অতিক্রম, ৮ ট্রলার মালিককে শোকজ প্রশাসনের

0
11

খাস খবর ডেস্ক: সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়াতে জেলা মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে ৮ টি ট্রলারকে ৯০ দিনের জন্য সাসপেন্ড করল জেলা মৎস্য দফতর। পাশাপাশি, ৮ ট্রলার মালিককে শোকজ করা হয়েছে। প্রতি বছরই ১৫ এপ্রিল থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত সমুদ্রে মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকে। এবছরও তাই ছিল। কিন্তু সেই নির্দেশ অমান্য করেই আন্তর্জাতিক জলসীমা পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে মাছ ধরতে গিয়েছিল ট্রলারগুলি।

আরও পড়ুনঃ সপ্তাহান্তে দুর্যোগের ভ্রুকুটি, বৃষ্টিতে ভেস্তে যেতে পারে সমস্ত প্ল্যান

উপকূলরক্ষী বাহিনী সূত্রে জেলা প্রশাসন খবর পায়, যে নিয়ম ভেঙে কয়েকটি ট্রলার এই সময়েই বঙ্গোপসাগরে পাড়ি দিয়েছে, মাছও ধরছে। শুধু তাই নয়, মৎস্যজীবীরা বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে মাছ ধরছিলেন। ইতিমধ্যে ট্রলারগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এদের মধ্যে একটি রায়দিঘির, বাকি ৭টি কাকদ্বীপের হারউড পয়েন্ট কোস্টাল থানা এলাকার। এদের নাম – এফবি বাবা অমরেশ্বর, এফবি সপ্তর্ষি নারায়ণ, এফবি মা সারদা- ২, এফবি বর্গভীমা-৪, এফবি পুষ্পাবতী-২, এফবি মা মঙ্গলচণ্ডী-২৫, এফবি পারমিতা, এফবি সুস্মিতা।

মৎস্য দফতরের পক্ষ থেকে প্রথমে ৮ টি ট্রলার মালিককে শোকজ করা হয় ও আলাদা করে চিঠি পাঠানো হয় মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে। ২৪ জুন চিঠির জবাবের শেষ তারিখ ছিল। মৎস্য দফতর সূত্রে জানা যায়, ট্রলারমালিকের জবাবে সন্তুষ্ট হয়নি মৎস্য বিভাগের আধিকারিকেরা। এরপরই ২৫ তারিখ অর্থাৎ শনিবার থেকে ৯০ দিনের জন্য ওই ৮টি ট্রলারকে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রতিটি ট্রলারে ১৮ জন করে মৎস্যজীবী ছিলেন বলে খবর।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলার সহ মৎস্য অধিকর্তা জয়ন্ত কুমার প্রধান জানিয়েছেন, “১৩ থেকে ১৬ জুনের মধ্যে ৮টি ট্রলার বঙ্গোপসাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমা পেরিয়ে মাছ ধরছিল। কোস্ট গার্ড সূত্রে আমরা খবর পাই, ট্রলারগুলি ফিরেও এসেছে। এরপর আমরা ট্রলারগুলিকে চিহ্নিত করে মালিকদের শোকজ নোটিস পাঠিয়েছি। ২৪ তারিখে তাদের জবাব চাওয়া হয়েছে।”

এই বিষয়ে ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনাইটেড ফিশারমেন অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বিজন মাইতি বলেন, “মৎস্য দফতরের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা হয়েছে। আমরা বলেছি, এসব ক্ষেত্রে শুধু শোকজ করলেই হবে না। আরও কড়া শাস্তির প্রয়োজন। প্রয়োজনে ট্রলারগুলির লাইসেন্স বাতিল করতে হবে।”