Cyclone Jawad: রাত থেকেই উত্তাল সমুদ্র-নদী, ব্যবসা বাঁচাতে মরিয়া স্থানীয় ব্যবসায়ীরা

0
39

সুদেষ্ণা মণ্ডল, গঙ্গাসাগর: ক্রমশ শক্তি ক্ষয় হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘ ‘জাওয়াদ’। যদিও এখনও অবধি আতঙ্ক পুরোপুরি ভাবে কমেনি। শক্তি ক্ষয় করে রবিবার উড়িষ্যা ও অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ। ইতিমধ্যেই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাতে।

শনিবার সকাল থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা বিভিন্ন উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে শুরু হয়েছে বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার দাপট। পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’ অমাবস্যার ভরা কোটালের প্রভাবে উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে প্রবল জলোচ্ছাসে আশঙ্কা আগেভাগেই জানিয়ে দিয়েছিল জেলা প্রশাসন। এছাড়াও জলোচ্ছ্বাস প্রভাবে ভাসতে পারে উপকূল তীরবর্তী এলাকায়।

- Advertisement -

আরও পড়ুন-Price rise: বাড়বে জিএসটি, নতুন বছরেই বাড়তে চলছে জামাকাপড়-জুতোর দাম 

ঘূর্ণিঝড়ের আতঙ্কে ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুন্দরবনের বেশকিছু উপকূল তীরবর্তী এলাকার মানুষজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটক শূন্য করে দেওয়া হয়েছে। জাওয়াদ’র শক্তিক্ষয় হচ্ছে, তবে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে রাত থেকেই জলোচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছে সমুদ্র সৈকতে। রবিবার পর্যন্ত এই জলোচ্ছ্বাস থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া দফতর।

জলোচ্ছ্বাসের কারণে পর্যটকদের সমুদ্রে যেতে মানা করা হয়েছে। এছাড়াও পুলিশের পক্ষ থেকে বার বার মাইকিং করে সতর্কবার্তা জারি করা হচ্ছে। পাশাপাশি পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায পরিদর্শন করেছেন জেলাশাসক, মহকুমা শাসক সহ জেলার অন্যান্য আধিকারিকরা।

আরও পড়ুন-Cyclone Jawad: অবশেষে মিলল স্বস্তি, শক্তি হারিয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’

এদিকে, শনিবার রাত থেকেই অমাবস্যার কোটাল। অমাবস্যার কোটাল এর প্রভাবে ইতিমধ্যে গঙ্গাসাগরে সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠেছে। গঙ্গাসাগর সমুদ্র সৈকতের সমুদ্র বাঁধ টপকে এলাকায় প্রবেশ করছে জল। গঙ্গাসাগর সমুদ্র সৈকত কার্যত পুণ্যার্থী শূন্য, পর্যটক শূন্য। পর্যটক শূণ্য করা হয়েছে বকখালিতেও।

এছাড়াও সমুদ্র উত্তাল থাকার কারণে সমুদ্রসৈকতে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা নিজেদের শেষ সম্বল টুকু বাঁচাতে কার্যত মরিয়া। উত্তাল সমুদ্রের ঢেউয়ের মধ্যে দিয়ে নিজেদের ব্যবসার শেষ সম্বল টুকু দোকানঘর গুলোকে বাঁচাতে গঙ্গাসাগর সমুদ্র সৈকতে ভিড় জমিয়েছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। রাত থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা বিভিন্ন উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে শুরু হয়েছে বৃষ্টির। উদ্বিগ্ন ও আতঙ্কে প্রহর গুনছে সুন্দরবনের উপকূলীয় তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা।