সরকারি হাসপাতালে বেডের ঘাটতি, বাম নেতার ঠাঁই হল মেঝেতে

0
16

মেদিনীপুর: সালটা ২০১১ থেকে ২০১৬৷ এই পাঁচটা বছর মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে তাঁর দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো৷ এরপর কেটে গিয়েছে ছয়টা বছর৷ তাই বর্তমানে ২০২২-এ দাঁড়িয়ে ওই হাসপাতালে তাঁর ঠাঁই হয়েছে মেঝেতে৷ ঘটনা জানাজানি হতেই প্রায় ১৮ ঘণ্টা পর তিনি বেডে জায়গা পান৷

পাঁচ বছর ঝাড়গ্রামের বিনপুরের বিধায়ক পদে ছিলেন সিপিএমের বর্ষীয়ান নেতা দিবাকর হাঁসদা৷ গলব্লাডার অপারেশনের জন্য রবিবার তিনি মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি হন৷ অভিযোগ, সেখানে প্রথমে জোটেনি কোনো বেড৷ এমনকি মেঝেতে থাকার জন্য দেয়নি কোনো বিছানা৷ তাই অগত্যা বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়া বিছানার চাদর পেতে তাঁকে হাসপাতালের মেঝেতে রাত কাটাতে হয়৷

এরপরই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷ প্রায় ১৮ ঘণ্টা পর দিবাকর হাঁসদাকে সার্জিক্যাল ওয়ার্ডের বেড স্থানান্তরিত করা হয়৷ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, হাসপাতালে বেড কম তার জন্য এই অসুবিধা হয়েছে৷ এছাড়া আর অন্য কোনো কারণ নেই৷

ঘটনায় বামেদের দাবি, স্বাস্থ্য পরিষেবা সরকারি বিজ্ঞাপনেই সীমাবদ্ধ৷ তাই হাসপাতাল আছে কিন্তু পর্যাপ্ত বেড নেই৷ রোগীদের মেঝেতে থাকতে হচ্ছে দিনের পর দিন৷ রাজনৈতিক দল দেখে এই হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়৷ এটাও হতে পারে৷ তবে তৃণমূলের আমলে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পরিকাঠামো একদম ভেঙে গিয়েছে৷

তৃণমূলের পাল্টা দাবি, এখন সরকারি হাসপাতালের অবস্থা বাম আমলের থেকে অনেক ভালো৷ তাই এখন রোগীরা এখানেই চিকিৎসা করাতে আসেন৷ সেই কারণে বেডের সমস্যা হচ্ছে৷