“উনি প্রচারে আসা মানেই তৃণমূলের লাভ”, কেন এই কথা বললেন ব্রাত্য

"বিধানসভা ভোটে উনি আমার কেন্দ্রে প্রচারে এসেছিলেন, আমি জিতেছি।"

0
71
bratya basu on mithun chakraborty

তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়াঃ “কখনো বাল ঠাকরে, কখনো সুভাষ চক্রবর্তী, কখনো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কখনো অমিত শাহ। এই করে করে বিশ্বাসযোগ্যতা হারায়”। শনিবার মেজিয়া হাই স্কুল মাঠে নাম না করে ঠিক এই ভাষাতেই বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য মিঠুন চক্রবর্তীকে (mithun chakraborty) আক্রমণ করলেন তৃণমূল নেতা ও রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (bratya basu)।

আরও পড়ুন : কল সেন্টারের আড়ালে প্রতারণা চক্র, গ্রেফতার ১৫ জন মহিলা সহ ৫৪

- Advertisement -

বৃহস্পতিবার মেজিয়াতে সভা করে গেছেন মিঠুন চক্রবর্তী (mithun chakraborty)। এরপর পাল্টা সভার আয়োজন করে তৃণমূল। ব্রাত্য বসু এদিন আরও বলেন, “বিধানসভা ভোটে উনি আমার কেন্দ্রে প্রচারে এসেছিলেন, আমি জিতেছি। পাশের জেলাতেও এক ঘটনা। উনি পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে আসা মানেই তৃণমূলের লাভ। আমরা সব পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদে জিতব।” এদিন ঐ মঞ্চে বক্তব্য রাখতে একের পর এক আক্রমণ শানিয়ে গেছেন শাসক শিবিরের এই নেতা। ব্রাত্য বসু (bratya basu) মিঠুন চক্রবর্তীর ‘ভ্রাতৃপরিচয়ে’র প্রশ্ন তুলে বলেন, “আগে উনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (mamata banerjee) দিদি বলতেন।” এখন বলেন, “তৃণমূলকে (tmc) হারাতে হবে। নরেন্দ্র মোদী আমার দাদার মতো। যারা এত ঘন ঘন দাদা দিদি বদলায় তাদের ভ্রাতৃপরিচয় নিয়েও সংশয় হয়” ।

আরও পড়ুন :৩ বছরের বকেয়া কর থেকে মুক্ত শিরডি সাইবাবা মন্দির, করের পরিমাণ শুনলে চমকে উঠবেন

এদিন নাম না করে  মিঠুন চক্রবর্তীকে (mithun chakraborty)  নিয়ে একের পর এক বিষয় নিয়ে মুখ খুললেও নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী সেই প্রশ্ন এড়িয়ে যান। ‘আদালতের বিচারাধীন বিষয়’ বলে মুখে কুলুপ আঁটেন তিনি। এদিনের সভায় ব্রাত্য বসু (bratya basu) ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদিকা, অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় (sayantika banerjee), দলের বাঁকুড়া জেলা সভাপতি দিব্যেন্দু সিংহ মহাপাত্র সহ জেলা তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।