দেবীর বিদায়লগ্নে দূষণ রোধে প্রচার ভাটপাড়া পুরসভার

0
15
durga puja

ভাটপাড়া: আজ দশমী। ঘাটে ঘাটে শুরু হয়েছে বিসর্জনের (abandonment) প্রস্তুতি। ঘাটগুলি পরিষ্কার করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে পুরসভা। বিসর্জন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য ভাটপাড়া পুরসভা রাখল আগাম প্রস্তুতি।

আর কিছুক্ষণের মধ্যে শুরু হবে ঘাটে ঘাটে বিসর্জনের পালা। নদীর পারে জমবে কাঠামো। ফুল-বেলপাতা থেকে ছড়াবে দূষণ। দূষণ রোধে অন্যান্য পুরসভার মতোই তৎপর ভাটপাড়া পুরসভা। ঘাটে আনা হয়েছে জেসিবি। দূষণ সম্পর্কে সচেতন করতে জায়গায় জায়গায় লাগানো হয়েছে পোস্টার।

- Advertisement -

৫ দিন পুজো দেবী দুর্গার আজ বিদায় পালা (abandonment)। মন ভারাক্রান্ত, বিষাদ ঘন হয়ে উঠেছে। মন খারাপের মাঝে সকাল থেকে মণ্ডপে মণ্ডপে দেখা দিয়েছে সিঁদুর খেলা। তবে কিছুটা অন্য পথে হাঁটল বাঁকুড়া। দশমীর দিন কাদা খেলায় মেতে উঠল বাঁকুড়ার জয়পুরের বৈতল গ্রাম।  দুর্গা মন্দিরের সামনে তৈরি করা হয়েছিল পুকুর। এলাকার ৭ টি পুকুর থেকে জল এনে পূর্ণ করা হয় সেই পুকুর। এরপর শুরু হয় কাদা খেলা। আট থেকে আশি নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলেই অংশ নিয়েছে ব্যতিক্রমী এই আনন্দ উৎসবে। কাদা খেলা নিয়ে এলাকায় প্রচলিত রয়েছে একটি জনশ্রুতি। জানা যায় বিষ্ণুপুরের রাজপরিবারের একটা অংশ বর্ধমানের রাজা কিনে নিয়ে ছিলেন। এই নিয়ে দুই রাজ পরিবারের মধ্যে শুরু হয় মামলা। সেই সূত্রে বিষ্ণুপুর রাজা দ্বিতীয় রঘুনাথ সিংহ রওনা দেন  বর্ধমানে। যাওয়ার পথে পড়ে ঝগড়াই চণ্ডী মন্দির। রাজা মন্দিরে প্রণাম সেরে বেরিয়ে দেখেন সামনের বিশাল বটের নীচে একটি ছোট্ট মেয়ে একা কাদামাটি নিয়ে খেলা করছে। তার সারা গায়ে কাদাজল।  রাজাকে দেখেই ছোট্ট মেয়েটি বলে ওঠে, ‘আয় খেলবি আয়।’  রাজা বলেন, ‘সময় নেই। অনেক কাজ, বর্ধমান যেতে হবে মামলা লড়তে।’ রাজার কথা শুনে মেয়েটি বলে ওঠে, ‘’মোটে চিন্তা করিস না,  জিতে যাবি।‘’ রাজা তখন মেয়েটিকে কথা দেন, জিতে গেলে ফেরার পথে খেলা করব। রাজা সেই মামলায় জেতেন এবং ফেরার সময় সেপাই-মন্ত্রী নিয়ে কাদা খেলেন মন্দির চত্বরে। আর সেই থেকে প্রতিবছর বিজয়ার দিন অনুষ্ঠিত হয় কাদা খেলা।