বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে শিল্পের বন্যা বইবে: Mithun Chakraborty

0
31

তিমিরকান্তি পতি, বিষ্ণুপুর: সিঙ্গুরে(Singur) টাটার (TATA) ঘটনায় শিল্পপতিরা ভীত। তবে রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে শিল্পের বন্যা বইবে। শনিবার বাঁকুড়া বিষ্ণুপুরে(Bishnupur) বেসরকারি হোটেলে সাংবাদিক বৈঠকে দাবি করলেন বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য মিঠুন চক্রবর্তী(Mithun Chakraborty)। দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে(Sukanta Majumder) পাশে নিয়ে মহাগুরুর অভিযোগ, তাঁর জেলা সফরে সার্কিট হাউস দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি যে হোটেলে থাকছেন সেই হোটেল মালিকরাও শাসক দলের নেতাদের ভয়ে সন্ত্রস্ত।

আরও পড়ুন:অভিষেককে শান্তিকুঞ্জে চা খাওয়ার আমন্ত্রণ, শোরগোল রাজনৈতিক মহলে

- Advertisement -

গত মঙ্গলবারই রাজ্যে পা রেখেছেন মিঠুন চক্রবর্তী(Mithun Chakraborty)। পুরুলিয়া(Purulia) দিয়ে প্রচার শুরু করে বৃহস্পতিবার থেকে বাঁকুড়া(Bankura) জেলায় রয়েছেন পদ্মশিবিরের তারকা নেতা। রাজ্যে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ভোটের আগে দলের জেলা নেতা ও কর্মীদের উজ্জ্বীবীত করতেই শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে তাঁর জেলা সফর। মহাগুরুর জেলা সফরে সঙ্গী বালুরঘাটের সাংসদ তথা দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এছাড়াও মেজিয়ায় বাঁকুড়া সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী ডাঃ সুভাষ সরকার(Subhas Sarkar) এবং সোনামুখীতে বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁকেও (Soumitra Khan) দেখা গেছে মিঠুনের সঙ্গে। পঞ্চায়েত ভোটের(Panchayet Election) মুখে পদ্মশিবিরের তারকা নেতার জেলা সফর ঘিরে বাড়তি উন্মাদনাও দেখা গিয়েছে দলের (BJP) সাধারণ কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে।

আরও পড়ুন:নদিয়ায় তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনায় গ্রেফতার

শনিবার সুকান্ত মজুমদারকে পাশে নিয়ে মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)জানান, দল তাঁকে যেভাবে কাজে লাগাবে তিনি সেইভাবেই কাজ করবেন। দলের মণ্ডল সভাপতিদের নিয়ে কর্মিসভাতেও একই কথা বলেছিলেন বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য। বলেছেন, “আমি রাজনীতির লোক নই, রাজনীতি করি না।” বলেছেন, “আমি মানুষের নীতি করি, মানুষের কথা তাই শুনি।” কর্মিসভায় উপস্থিত জনগণকে সঠিক প্রতিনিধি বেছে নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন মহাগুরু।

আরও পড়ুন:ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে বচসা থেকে হাতাহাতি, নৈহাটি পুরসভার সামনে উত্তেজনা

মিঠুন চক্রবর্তীর (Mithun Chakraborty) পাঁচ দিনের জেলা সফর শেষ হবে বীরভূম(Birbhum) দিয়ে। তাই এবার বীরভূম জেলাকেই বেশি করে ফোকাসে রেখেছন পদ্মশিবিরের দুই শীর্ষ নেতা। শনিবার সকালে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে(Anubrata Mondal) মুখ্যমন্ত্রী বা ওনার ভাইপো কেউ ‘ডিস্টার্ব’ করবে না। কারণ অনুব্রত মণ্ডলের কাছে এমন কিছু তথ্য আছে যা সিবিআই(CBI) বা ইডি-র(ED) কাছে বললে তাঁরা ফেঁসে যাবেন। তবে ডিসেম্বরের ১২ তারিখে আদালতের ‘রক্ষাকবচ’ উঠে গেলে অনুব্রতর জেলযাত্রা কেউ আটকাতে পারবে না বলেও দাবি করেছেন সুকান্ত। মুরলিধর সেন লেনের কর্তার দাবি, তৃণমূলের দুর্নীতি ঘিরে এখনও পর্যন্ত যা প্রকাশ হয়েছে, তা ‘হিমশৈলের চুড়ামাত্র’।