Hilsa: মরশুমের শেষে জালে রূপালী শস্যে, শীতেও বাঙালির পাতে মিলবে ইলিশ

0
79

সুদেষ্ণা মণ্ডল, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: নিয়ম অনুযায়ী ইলিশের মরশুম শেষ। কিন্তু মরশুম পেরিয়ে গেলেও হঠাৎ করে মৎস্যজীবীদের জালে উঠল প্রচুর ইলিশ। মঙ্গলবার থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপকূলবর্তী এলাকার মৎস্যজীবীদের জালে ধারা পড়তে থাকে প্রচুর রুপোলী শস্য। ইলিশ নিয়ে বেশ কিছু ট্রলার ইতিমধ্যেই ফিরেছে কাকদ্বীপ, নামখানা, ফ্রেজারগঞ্জ, রায়দিঘি, পাথরপ্রতিমা সহ ডায়মন্ড হারবারে।

আরও পড়ুন- Weather update: নিম্নমুখী তাপমাত্রার পারদ, ফের রাজ্যে ফিরছে শীতের আমেজ 

এবছর ইলিশের মরশুম চলার সময় তেমনিভাবে আশাতীত মাছ পায়নি মৎস্যজীবীরা। হঠাৎ করে ইলিশের দেখা পেয়ে উৎফুল্ল ও আনন্দিত হয়ে পড়েছে মৎস্যজীবীরা। মৎস্যবিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইলিশের মরশুম চলে ১৫ জুন থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। লক্ষাধিক টাকা খরচ করে এক একটি ট্রলার যায় সমুদ্রে। এমনিতেই ইয়াসের ফলে বেশ কিছু ট্রলার ভেঙে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সে সব সারাতে ট্রলার মালিকের প্রচুর খরচ হয়।

এদিকে, এবছর জালেও ইলিশ তেমন ওঠেনি। লোকসানের বহর কমাতে অনেক ট্রলার এই মরশুমে সমুদ্রে যায়নি। গত কয়েক বছর ধরেই চলছে এই পরিস্থিতি। অনেকে পেশা বদলের কথাও ভাবতে শুরু করেছিল। তবে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ৩৫-৪০টি ট্রলার গভীর সমুদ্র থেকে প্রচুর ইলিশ। তাতে আশার আলো দেখছেন মৎস্যজীবীরা।

আরও পড়ুন- Hilsa: মরশুমের শেষে জালে রূপালী শস্যে, শীতেও বাঙালির পাতে মিলবে ইলিশ

এপ্রসঙ্গে কাকদ্বীপ মৎস্যজীবী ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন এর সম্পাদক সতীনাথ পাত্র বলেন, “৬৫-৭০ টন ইলিশ নিয়ে ট্রলারগুলি ঘাটে ফিরেছে। এক একটি ইলিশের ওজন ৫০০-৭০০ গ্রাম। ইলিশ মাছগুলি একটু লম্বাটে চেহারার। যার পাইকারি দর কিলো প্রতি ৫০০-৬০০ টাকার মধ্যে। তবে বর্ষার ইলিশের মতো স্বাদ হবে কিনা তা বলা যাচ্ছে না।” কাকদ্বীপের মৎস্যজীবী বুদ্ধদেব দাস বলেন, “ইলিশ ধরার মরশুম শেষ। কিন্তু গত মঙ্গলবার থেকে জালে প্রচুর পরিমাণে ধরা পড়ছে ইলিশ। গভীর সমুদ্রেও ইলিশের দেখা মিলেছে। এই বছর ইলিশের মরশুমে তেমন ইলিশ পাওয়া যায়নি ফলে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। কিন্তু এবারে অসময়ে ইলিশের এই যোগান সেই ক্ষতির ঘায়ে আংশিক হলেও মলমের প্রলেপ লাগাতে পারে।”