এই বছর ৮ ফুটের মুকুট তৈরি করছেন অজন্তা

0
15
durga puja

নদিয়া: বাবার দেখানো পথেই এগিয়ে চলেছেন অজন্তা বাগচী (ajanta bagchi) । তিনি একজন মুকুট শিল্পী। অথবা বলা যেতে পারে অলঙ্কার শিল্পী। দেবী দুর্গার মুকুট সেজে ওঠে তাঁরই হাত ধরে। এবার ৮ ফুটের মুকুট তৈরি করছেন অজন্তা। রানাঘাটের একটি পুজো মণ্ডপের প্রতিমার জন্য সেই মুকুটি তৈরি করা হচ্ছে।

দুর্গাপুজোয় ঢাকে কাঠি পড়ে গেছে। এখন শিল্পীর ঘরে চরম ব্যস্ততা। শুধু জেলা নয় জেলা ছাড়িয়ে ভিন জেলা সহ কলকাতার বড় বড় পুজো মণ্ডপেও দেখা যাবে অজন্তা ও তাঁর সহযোগীদের তৈরি দুর্গা মুকুট। প্রখ্যাত ডাক শিল্পী আশিস বাগচী বেঁচে নেই। এখনও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুকুটের বরাত আসে বলে জানালেন অজন্তা। ছোট থেকে বড় বিভিন্ন সাইজের ঝাঁ চকচকে জড়ি দিয়ে তৈরি মুকুট শোভা পাবে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পুজো উদ্যোক্তাদের দুর্গা প্রতিমার মাথায়।

- Advertisement -

অজন্তার (ajanta bagchi) বাবা আশিস বাগচী। তিনি মারা যাওয়ার পর ব্যবসায়ে তাঁর অনুপস্থিতির প্রভাব পড়েছে। তবে মেয়ে অজন্তার পাশে দাঁড়িয়েছে তাঁর বাবার এককালের সহকর্মীরা। করোনার পর দ্রব্য মূল্যের দাম আকাশ ছুঁয়েছে। কিন্তু দেবী দুর্গার মাথার মুকুটের ব্যপক অর্ডার রয়েছে। জানালেন প্রয়াত মুকুট শিল্পী আশিস বাগচীর মেয়ে অজন্তা বাগচী। প্রসঙ্গত সম্প্রতি বাঁকুড়ার (bankura) শিমুলবেড়িয়া গ্রামের কর্মকার পাড়ায় দিনরাত ব্যস্ততার একটি ছবি উঠে এসেছিল। দিন-রাত এক করে দুর্গা প্রতিমা (durga idol) গড়ে চলেছেন শিল্পিরা। এই গ্রামের কাঠের তৈরি শিল্প কর্মের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। রাজ্যের পাশাপাশি অসম ও ত্রিপুরা থেকেও আসে বরাত। মণ্ডপ সজ্জার পাশাপাশি কাঠ খোদাই করে তৈরি হয় ঘর সাজানোর অপরুপ সামগ্রী। ফলে বছরভর ব্যাপক চাহিদা থাকে কাঠের তৈরি সামগ্রীর। যা পুজোর মরশুমে কয়েক গুণ বেড়ে যায়। নিখুঁত হাতের কাজে ফুটে ওঠে অসাধারণ শিল্প কর্ম। তবে সেভাবে মেলেনা সরকারি সাহায্য। জীবন ও জীবিকার স্বার্থে গত ১৫ বছর ধরে কাঠ খোদাই করে শিল্প কর্মের নেশায় মেতে আছেন মলয় কর্মকার। তিনি বলেন ৩০০ টাকা থেকে শুরু দুর্গা প্রতিমার দাম। মিলবে ৩, ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত।