On This Day: পন্থের জাতীয় দলে পৌঁছানোর কঠোর সংগ্রামের কাহিনী

0
40

শান্তি রায়চৌধুরী: কোচিং এর জন্য উত্তরাখন্ড থেকে দিল্লী যাতায়াত করা ছিল ঋষভের ছিল খুবই কঠিন কাজ এবং অন্যদিকে ঋষভ মধ্যবিত্ত পরিবারের, তাই দিল্লীতে রুম ভাড়া নেওয়া পন্থের খুব একটা সহজ ছিল না। এখন যেমন ঋষভ পন্তও ছয় মারছেন এক হাত দিয়ে। তেমনি তখন তিনি আসন্ন অসুবিধাগুলোকে উড়িয়ে দিতেন এইভাবে।

সেই সাথে ঋষভের মা ছেলে ঋষভকে খুব সাপোর্ট করতেন। এবং এখন মা-ছেলে দিল্লির গুরুদ্বারে তাদের নতুন আস্তানা তৈরি করেছেন। পন্ত ল্যাঙ্গার খেয়ে স্টেডিয়ামে অনুশীলনে যেতেন। আর মা দিনভর গুরুদুয়ারায় মানুষের সেবা করতেন।

- Advertisement -

পরে ঋষভ পন্তের সঙ্গে তাঁর কোচ তারক সিনহার সাথে দেখা হয়। যিনি দিল্লিতে ক্রিকেট একাডেমি চালাতেন। তিনি পান্তের উইকেট কিপিং দেখে মুগ্ধ হয়ে তাকে কোচিং করাতে শুরু করেন। এবং ঋষভ পন্ত তার পরিশ্রমের পুরস্কার দিয়েছেন তাঁর ব্যাটিং দিয়ে।

এরপর ঘরোয়া ক্রিকেট আইপিএলে একটার পর একটা সাফল্য দেখিয়ে ২০১৮ সালের জুলাই মাসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলার জন্য ভারতের টেস্ট দলে ঋষভ পান্তের নাম অন্তর্ভুক্ত হন। এবং প্রথম টেস্ট অভিষেক ম্যাচেও, প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ছক্কা মেরে খাতা খুলেছেন পান্ত। এরপর এখন তাকে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। এখন ভারতীয় দলের তিন ফরমেটেই তিনি নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড়।

পন্তের জন্ম ৪ অক্টোবর ১৯৯৭ সালে উত্তরাখণ্ডের রুরকিতে। তার বাবার নাম হলো রাজেন্দ্র পন্ত এবং তার মায়ের নাম সরোজ পন্ত। শিশু বয়সে শিশুরা সাধারণত প্লাস্টিকের খেলনা পছন্দ করে। কিন্তু এই বয়সে ঋষভ ক্রিকেট খেলতে এবং দেখতে খুব পছন্দ করতেন। ঋষভ, যিনি অ্যাডাম গিলক্রিস্টকে নিজের অনুপ্রেরনা মনে করতেন এবং ছোটবেলা থেকেই তিনি গিলক্রিস্টের মতো আক্রমণাত্মক উইকেট-রক্ষক ব্যাটসম্যান হতে চেয়েছিলেন। তার সেই স্বপ্ন সার্থক হয়েছে।

কিন্তু ঋষভ পান্তের পথ চলা মোটেও সহজ ছিল না। প্রথম দিকে ক্রিকেট খেলার জন্য পন্তকে তার বাবা তিরস্কারও করেছিলেন। কিন্তু পরে ঋষভের ক্রিকেটের প্রতি অনুরাগ দেখে ঋষভের বাবা তাকে ক্রিকেট খেলার অনুমতি দিয়েছিলেন। উত্তরাখণ্ডে ক্রিকেটের সুবিধা ভালো না থাকার কারণে ঋষভ দিল্লির একটি ক্রিকেট একাডেমিতে ভর্তি হয়েছিলেন। এখান থেকেই সংগ্রাম করে পন্ত আজ এই জায়গায়।