এবার থেকে উইম্বলডনে মহিলাদের নামের পাশে আর মিস বা মিসেস লেখা থাকবে না

0
92

শান্তি রায়চৌধুরী: উইম্বলডন। টেনিসের সবচেয়ে মর্যাদার টুর্নামেন্ট। শুরু হচ্ছে ২৬ জুন থেকে। এবারের প্রতিযোগিতা থেকেই ঐতিহ্যবাহী এই টুর্নামেন্টের কিছু নিয়মে পরিবর্তন আনতে চলেছেন আয়োজকরা। ঠিক হয়েছে, এবার থেকে উইম্বলডনের সাম্মানিক বোর্ডে কোনও মহিলার নামের পাশে আর মিস বা মিসেস লেখা থাকবে না। প্রতিযোগিতাকে আরও আধুনিক চেহারা দিতেই এটা করা হবে বলে জানিয়েছে অল ইংল্যান্ড টেনিস ক্লাব।

আরও পড়ুন: তারকার ছটায় ঢাকা পড়ে গিয়েছে বাংলার ক্রিকেট, কে দেবে পোয়েটিক জাস্টিস

- Advertisement -

এতদিন এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিযোগিতায় শুধুমাত্র মহিলা প্রতিযোগীদের ক্ষেত্রে এমনটা লেখা হত। যেমন গতবারের চ্যাম্পিয়ন অ্যাশলে বার্টি নয়, লেখা হয়েছিল মিসেস এ. বার্টি। সেখানে সার্বিয়ান মহাতারকা নোভাক জোকোভিচের ক্ষেত্রে লেখা হয়েছে এন. জোকোভিচ।

২০১৯ সাল থেকে অবশ্য সংগঠকেরা মেয়েদের ম্যাচের ফলাফল ঘোষণা করার সময় কারও নামের আগে মিস বা মিসেস সম্বোধন করা বন্ধ করে দিয়েছিল। যদিও এই প্রতিযোগিতায় সবসময়ই বলা হয়ে থাকে ‘জেন্টলমেন্স সিঙ্গলস’ অথবা ‘লেডিসেস সিঙ্গলস’।

মহিলাদের নাম উল্লেখের ক্ষেত্রে এবার আরও একটি পরিবর্তন আনতে চলেছে উইম্বলডন। ঠিক হয়েছে, এখন থেকে কোনও বিবাহিত মহিলার নামের সঙ্গে তাঁর স্বামীর পদবী যুক্ত করা হবে না। যেমনটা অতীতে হত। ক্রিস এভার্টকে সম্বোধন করা হত ক্রিস এভার্ট লয়েড নামে। যেহেতু সে সময় তাঁর স্বামী ছিলেন জন লয়েড। আরও একটি বড় পরিবর্তন আসছে উইম্বলডনে। ঠিক হয়েছে, এবারের উইম্বলডন খেলে কোনও খেলোয়াড় এটিপি পয়েন্ট পাবেন না। প্রতিযোগিতায় রাশিয়া এবং বেলারুশের খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় টেনিসের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

খাস খবর ফেসবুক পেজের লিঙ্ক:
https://www.facebook.com/khaskhobor2020/

তবে উইম্বলডনে র‌্যাঙ্কিং পয়েন্ট না দেওয়ার ব্যাপারটি নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন কিংবদন্তি মহিলা টেনিস তারকা মার্টিনা নাভ্রাতিলোভা। তিনি বলেছেন, “এমন সিদ্ধান্তের পরে খেলোয়াড়েরা কেন নাম প্রত্যাহার করে নিচ্ছে না, সেটা দেখে আমি অবাক হয়ে গিয়েছি। সকলেই তো খেলতে নামে ট্রফি জেতার জন্য।” সেইসঙ্গে এই কিংবদন্তি বলেছেন, “রাতারাতি র‌্যাঙ্কিং পয়েন্ট না দেওয়ার বিষয়কে আমি সমর্থন করতে পারছি না। এর উপরে খেলোয়াড়দের অনেক কিছু নির্ভর করে। সেটা নিয়েও এটিপি বা ডব্লিউটিএ-র চিন্তাভাবনা করা দরকার।”