এলোমেলো করে দে মা লুটে পুটে খাই

0
62

সুজয় গুহ: বিজেপির টিকিটে বিধায়ক পদ জিতলেও তৃণমূলে ফিরেছেন বছর দুই আগে। হঠাৎ কেন্দ্র বিজেপির প্রথম সারির নেতৃত্বের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রবল বাসনা নিয়ে দিল্লিতে। কারণ, রাজ্য থেকে সিপিএমকে (!!??) উৎখাত করতে হবে, যদিও বাংলার দফারফা করা তৃণমূলই এখন তার প্রধান প্রতিপক্ষ। তার কথার ভাঁজে অহরহ চমকে কার্যত দিশাহীন দুঁদে রাজনীতিবিদরা। কেউ পাগলের প্রলাপ বলেছেন, কেউ বা বলছেন অসময়ের মুকুল, কেউ তালি দিয়ে বলছেন – দেখ মজা, কেউ বা বেড়ে চাল দিয়েছে বলে চায়ের দোকানে সমমনা বন্ধুদের চায়ের দাম মেটাচ্ছেন।

আরও পড়ুন: অথ ‘কোটি চিঠি’ কথা

- Advertisement -

অপরাপর ঘটনায়, প্রাক্তন মন্ত্রী বিশেষ অঙ্গুলি অলঙ্কারে সজ্জিত হয়ে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতেই চোখ কচলালেন বিচারক। বন্দী বিধি শিকেয় উঠল নাকি! স্বাস্থ্য সচেতনতার নিরিখেই এহেন অঙ্গুরিয় ধারণ বলে গুলিয়ে দিলেন বিচারাধীন বন্দী। অঙ্গুরী মাল (কেচো নয়) যে সোনার নয় তার সাফাই দিলেন মক্কেলের আইনজিবি। প্রভাবশালীর প্রভাব যে জেলের মধ্যে এখনও প্রবাহমান এলোমেলো করে দেওয়ার নব নব প্রচেষ্টাই তার প্রমাণ। অগত্যা বিচারক জেল সুপারকে তলব করলেন দেখে প্রাক্তন প্রভাবশালী তার প্রভাব প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কায় অঙ্গুরীমাল হলেন।

খাস খবর ফেসবুক পেজের লিঙ্ক:
https://www.facebook.com/khaskhobor2020/

সম্প্রতি জাতীয় দলের তকমা গিয়েছে। মান মর্যাদা তাতে একটু হলেও ক্ষুণ্ন হয়েছে কিনা এই নিয়ে আলোচনা সর্বত্র। কিন্তু এক ফোনালাপকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। জাতীয় দলের স্বীকৃতি ফেরাতেই সেই ফোন বলে ঢিল ছুঁড়েছিলেন (অতীতের মতো) ছোটে মিঞা। এবার কিন্তু সেই ঢিল আঘাত করেছে সরাসরি মৌচাকের রানিকে। তিনিও পাটকেল ছুঁড়ছেন, ফোন প্রমাণে ইস্তফার “অবাক জলপান” চিত্রনাট্য। এলোমেলো যদি না হয় তাহলে একপক্ষের পদস্খলন অবধারিত। পাবলিক তো আম আদমি, এসবের বোঝেটা কি? রেকর্ড করা গরমে রাজনীতি করা যে কি মাথাব্যথা (পাগলামো নয়) সেটা আম আদমির বোধগম্য নয়। আম আদমি এটা ভালোই বোঝে, এলোমেলো করে দে মা লুটেপুটে খাই।