কুণালের পছন্দের প্রার্থীতেই কেন আস্থা রাখলেন মোদী, বাড়ছে জল্পনা

0
22

কলকাতা: শরদ পাওয়ার, গোপালকৃষ্ণ গান্ধী, ফারুক আবদুল্লাহর পর অবশেষে তৃণমূলের রাজ্যসভার প্রাক্তন সদস্য যশবন্ত সিনহাকেই রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে সম্মতি জানিয়েছে বিরোধীরা৷ বিপরীতে শাসকদলের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে রয়েছে দ্রৌপদী মুর্মুর নাম৷

এহেন আবহে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের অতীতের একটি চিঠি ঘিরে তপ্ত সর্বভারতীয় রাজনীতি৷ বস্তুত, পাঁচ বছর আগে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ থাকাকালীন ব্যক্তিগতভাবে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে দ্রৌপদী মুর্মুর নাম প্রস্তাব করেছিলেন কুণাল৷ কাকতালীয়ভাবে, কুণালের সেই পছন্দের প্রার্থীই এবার মোদী মনোনীত রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী৷ স্বাভাবিকভাবে সামনে উঠে আসছে নানা জল্পনা৷

সেই সূত্রেই কেউ কেউ সামনে আনছেন সম্প্রতি বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার সাম্প্রতিক সাংবাদিক বৈঠকের বিষয়বস্তুটিকেও৷ রাহুলের দাবি ছিল, ‘‘কুণাল আমাদেরই লোক (বিজেপির)৷ আমরাই তৃণমূলের ভিতরের খবর পাওয়ার জন্য ওকে তৃণমূলে রেখেছি৷’’ স্বাভাবিকভাবেই রাহুলের ওই মন্তব্যের সঙ্গে কুণালের পাঁচ বছর আগের চিঠির ‘সম্পর্কের রসায়ণ’ খোঁজার চেষ্টা করছেন অনেকে৷

বস্তুত, ২০১৭ সালে তৃণমূল সাংসদ থাকলেও সেই সময় দলের সঙ্গে বিশেষ ভাল সম্পর্ক ছিল না কুণালের৷ সেকারণেই ব্যক্তিগতভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রাক্কালে নিজের মনোনীত তিন প্রার্থী হিসেবে মণিপুরের রাজ্যপাল নাজমা হেপতুল্লা, ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল দ্রৌপদী মুর্মু এবং রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের নাম প্রধানমন্ত্রীকে লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন কুণাল৷ কুণাল নিজেও সেকথা মেনে নিয়েছেন৷

একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কুণাল বলেন, ‘‘হ্যাঁ, সেটা ২০১৭ সাল৷ তখনও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রাক্কালে কোনও নাম সামনে আসেনি৷ তাই ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছিলাম৷ তাতে তিনটি নামের কথা বলি৷’’ একই সঙ্গে অস্বস্তি এড়াতে কুণাল বলেন, ‘‘দ্রৌপদী মুর্মুকে সম্মান জানানোর হলে তখনই জানাতে পারত৷ এখন কেন?’’ যদিও চর্চ্চা শুরু হয়েছে, পাঁচ বছর আগে কুণালের পছন্দের প্রার্থীতেই কেন আস্থা রাখলেন মোদী? তাহলে কি ভিতরে অন্য কোনও গল্প রয়েছে!

আরও পড়ুন: পুলিশের চাকরি করতে এসেছিলাম, এভাবে গরু সামলাতে হবে কে জানত