Goa: তৃণমূল ও আপ আদতে কার সুবিধা করল, উঠছে প্রশ্ন

0
71

খাস প্রতিবেদন: বুথ ফেরৎ সমীক্ষা আভাস দিয়েছিল, হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের৷ কিন্তু ফল ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায়, পশ্চিম ভারতের সমুদ্রশহর গোয়ায় (goa) লড়াইয়ের দৌড়ে বিজেপির ধারে কাছে নেই কংগ্রেস৷ ১৭ থেকে এক ধাক্কায় ১১ তে নেমে আসতে হয়েছে কংগ্রেসকে৷ স্বাভাবিকভাবে, সমুদ্র শহরে রাজনীতির বাতাসে উড়ছে একটাই গুঞ্জন, গোয়ায় লড়ে তৃণমূল ও আমআদমি পার্টি (আপ) আদতে কি বিজেপিরই সুবিধা করে দিল না?

একান্ত আলাপ চারিতায় কংগ্রেস নেতারা বলছেন, আদতে তৃণমূল ও আপ বিজেপিরই সুবিধা করে দিয়েছে৷ লড়াইয়ের ময়দানে আদতে ওরা ভোট কাটল কংগ্রেসেরই৷ তারই জেরে ৪০টি আসন বিশিষ্ট গোয়া বিধানসভার ফলাফল আদতে ত্রিশঙ্কু মনে হলেও খুব বড় অঘটন না ঘটলে এবারেও গেরুয়া সরকার গঠন নিশ্চিত৷

৪০টি আসন বিশিষ্ট গোয়ায় বিজেপি এককভাবে দখল করেছে ২০টি আসন৷ ম্যাজিক ফিগার ২১ থেকে এক কদম দূরে দাঁড়িয়ে থাকলেও সরকার গড়ার মতো পর্যাপ্ত আসন সংখ্যা তাঁদের ঝুলিতে রয়েছে বলে রাজ্যপালের কাছে ইতিমধ্যেই দাবি জানাতে চলেছে বিজেপি৷ কংগ্রেসের ঝুলিতে ১১টি আসন। একটি আসনে জয়ী হয়েছে কংগ্রেসের জোটসঙ্গী গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টি৷ তৃণমূল ‘খাতা’ খুলতে না পারলেও তাদের জোটসঙ্গী মহারাষ্ট্রবাদী গোমন্তক পার্টি (এমজিপি) পেয়েছে ২টি আসন। কেজরিওয়ালের আপের দখলে ২টি আসন। এছাড়াও ৪টি আসনে জয়ী হয়েছে নির্দলেরা৷

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, গতবারে ১৭টি আসনে জয়ী হয়ে একক গরিষ্ঠতা অর্জন করেও শেষ পর্যন্ত সরকার গড়তে ব্যর্থ হয়েছিল কংগ্রেস। কারণ, মাত্র ১৩টি আসন পেয়েও দীপক ধাভেলিকরের নেতৃত্বাধীন এমজিপি পার্টি, গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টি এবং নির্দল বিধায়কদের নিয়ে সরকার গড়েছিল গেরুয়া শিবির৷ ঘটনাচক্রে এবারে সেই এমজিপি ভোটের আগে তৃণমূলের সঙ্গে জোট গড়লেও ফল বেরাতেই বিজেপিকে সমর্থন করার কথা প্রকাশ্যে জানিয়ে দিয়েছে৷ স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল ও আপের ভোট লড়ার খেসারত কংগ্রেসকে মেটাতে হচ্ছে বলেই মনে করছেন গোয়ার প্রবীণ কংগ্রেস নেতৃত্বরা। একান্ত আলাপচারিতায় তাঁরা বলছেন, ‘‘তৃণমূল মুখে বিজেপির সমালোচনা করলেও বাস্তবে ওদের পদক্ষেপে উপকৃত হচ্ছে বিজেপিই৷’’ যদিও বঙ্গের তৃণমূল নেতারা এই অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ৷ তাঁদের ব্যাখ্যা, ‘‘চার মাসের লড়াইয়ে সকলের সমর্থন আদায় করা যায় না৷ তবে মানুষের সেবায় আমরা নিয়োজিত থাকব৷’’ মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বিন্দু বিন্দু করেই বাংলা থেকে ৩৪ বছরের বাম সরকারকে হঠানোর কথা৷

আরও পড়ুন: ‘স্কুলে না এসেও মাইনে পাই, আমি সরকারি শিক্ষিকা’