হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন রেল কর্তারা, আন্দোলন প্রত্যাহার করল কুড়মিরা

0
31

কলকাতা: অবশেষে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন রেল কর্তারা৷ আলোচনায় কাটল জট৷ আন্দোলন প্রত্যাহার করার কথা ঘোষণা করলেন কুড়মি সম্প্রদায়ের নেতারা। ফলে নতুন করে ট্রেন বাতিলের দুর্ভাবনা থেকে মুক্তি পেলেন রেল আধিকারিকেরা৷ দুর্ভোগের হাত থেকে রেহাই মিলল রেলযাত্রীদের৷ বস্তুত, কুড়মালি ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তফসিলে অন্তর্ভুক্তির দাবি নিয়ে মঙ্গলবার থেকে পুরুলিয়ার কস্তুর , পশ্চিম মেদিনীপুরের খেমাশুলি রেল স্টেশন সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় রেল রোকো অভিযানে নেমেছিলেন আন্দোলনকারীরা৷ যার জেরে সাড়ে চারদিনে তিন শতাধিক ট্রেন বাতিল ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছিল রেলের দক্ষিণ-পূর্ব শাখা৷

প্রশাসন সূত্রের খবর, জট কাটাতে এদিন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন পুরুলিয়ার জেলাশাসক৷ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসকও যোগ দিয়েছিলেন ওই বৈঠকে৷ সেখানেই তিন জেলার জেলা শাসকের মধ্যস্থতায় আন্দোলনকারীরা মানুষের অসুবিধার কথা বিবেচনা করে ‘রেল রোকো’ কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন৷ আন্দোলনকারীদের তরফে জানানো হয়, ‘‘প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল৷ এদিনের আলোচনা সন্তোষজনক৷ মানুষের অসুবিধার কথা ভেবে আমরা পাঁচদিনের মাথায় আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিলাম৷’’ একই সঙ্গে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, ‘‘তবে যে দাবিতে লড়াই সেটা চলবে৷ আগামীদিনে দাবি পূরণ না হলে আমরা ফের রেল রোকো কর্মসূচিতে যাব৷ তখন কিন্তু কারও অনুরোধ শুনে আমরা আর আন্দোলন উইথ ড্র করব না৷’’

- Advertisement -

বস্তুত, কথা রাখেনি সরকার৷ এই অভিযোগে মঙ্গলবার সকাল থেকে রেল রোকো অভিযানে নেমেছিল কুড়মি মাহাতো সম্প্রদায়ের মানুষেরা৷ যার জেরে গত চারদিনের মতো শনিবারও দক্ষিণ-পূর্ব শাখার বহু ট্রেন বাতিল৷ ভোগান্তিতে নিত্যযাত্রীরা৷ সবমিলিয়ে পুজোর মুখে রেলের লোকসানের পরিমাণ প্রায় সাত কোটি টাকা৷ তবে দেরিতে হলেও আন্দোলনকারীরা আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেওয়ায় সব মহলে স্বস্তির ছাপ৷

আরও পড়ুন: ফসল খেয়েছিল হনুমান, গুলি করে হত্যা করল যুবক : রাস্তা অবরোধে বাসিন্দারা

downloads: https://play.google.com/store/apps/details?id=app.aartsspl.khaskhobor