আগামীতে বিজেপির লড়াই বাম-কংগ্রেসের সঙ্গে, বলছে উপনির্বাচনের ফল 

0
48

আগরতলা : ত্রিপুরায় চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফলঘোষণার মধ্য দিয়ে ঢাকে কাঠি পড়ে গেল ২০২৩ সালের ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনের, কারণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এই উপনির্বাচনের ফলে উজ্জীবিত বিরোধী শিবির। ত্রিপুরায় শাসক বিজেপির প্রধান বিরোধী কোন দল সেই নিয়েও বিতর্কের অবসান হল এই উপনির্বাচনের মধ্য দিয়ে। 

আরও পড়ুন : চাপ বাড়ল বিজেপির, রাজধানীতে জয়ী কংগ্রেস প্রার্থী 

ত্রিপুরায় আগামী দিনে বিজেপির সঙ্গে সরাসরি লড়াই হবে বাম-কংগ্রেসের। রাজধানী আগরতলা কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থী সুদীপ রায় বর্মণের বিজেপি প্রার্থী অশোক সিনহাকে হারিয়ে জেতার ঘটনায় বেজায় অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির, কারণ মানিক সাহা নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরেই দলের জেতা আসন এবং সর্বোপরি রাজধানীতে হারতে হল শাসক দলকে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই ফল থেকে প্রমাণ হয়ে গেল ত্রিপুরার মাটিতে বিজেপিকে হারান যায়, এরফলে বিজেপি বিরোধী শিবির আরও উজ্জীবিত হবে। একদা শাসক দল সিপিএম কোনও আসন জিততে না পারলেও গত লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় অনেকটাই তাদের ভোট বাড়িয়েছে এবং যুবরাজনগর কেন্দ্রে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দিতে সক্ষম হয়েছে। এই ফলাফলের মধ্য দিয়ে অনেকেই বলছেন বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস আলাদা ভাবে লড়াই করায় অনেক ক্ষেত্রে বিরোধী ভোট ভাগের সুবিধা পেয়েছে বিজেপি। ফলে ভবিষ্যতে বিরোধী ভোট ভাগ আটকাতে ত্রিপুরাতেও হাত ধরতে পারে কাস্তে হাতুড়ি তারা, এমন জল্পনাও উস্কে দিচ্ছেন কেউ কেউ। 

আরও পড়ুন : শিবসেনাকে সঙ্কট থেকে উদ্ধার করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিলেন উদ্ধব পত্নী

সাম্প্রতিক আগরতলা পুরভোটে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করতে শুরু করেছিল, তারাই ত্রিপুরায় বিজেপির প্রধান বিরোধী দল, কিন্তু দিনের শেষে উপনির্বাচনের ফলাফলে তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট ২.৮৫ শতাংশ। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, তৃণমূলকে এই ফলাফলের পরে ত্রিপুরার রাজনৈতিক আলোচনার পরিধিতে আর তেমনভাবে আনা যাবে না।