ফের রাজ্যপালের ডানা ছাঁটতে বিধানসভায় আসছে সংশোধনী বিল

0
44

কলকাতা: পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২৩ লক্ষাধিক৷ সেখানে বেছে বেছে ২৭৩ জনকে কেন ১ নম্বর দেওয়া হল? এটাকে কি বেনিয়ম বলা যায় না? লক্ষ্মীবারের সকালে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারির মামলায় প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের আইনজীবীর কাছে ঠিক এই প্রশ্নটাই রাখলেন হাইকোর্টের বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি লপিতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ৷ বস্তুত, নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ইতিমধ্যেই বাড়তি নম্বর দিয়ে চাকরিতে নিযুক্ত করা প্রার্থীদের বরখাস্ত করার নির্দেশ জারি করেছিলেন সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়৷ একই সঙ্গে পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকেও সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ জারি করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়৷

বিচারপতির ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছিলেন মানিক৷ তারই মাঝে এদিন ডিভিশন বেঞ্চের বিচারপতিদের এই নির্দেশকে ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শিক্ষা মহলে৷ আদালত সূত্রের খবর, নিয়োগে গড়মিলের বিষয়টা আরও ভালভাবে স্পষ্ট হয়েছে এই নম্বর বৃদ্ধির ঘটনা থেকেই৷ এদিন এজলাসেই বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, প্রশ্নপত্রে যদি একটি এক নম্বরের প্রশ্ন ভুলই থেকে থাকে এবং যদি নম্বর বৃদ্ধি করার প্রয়োজনই ছিল, তাহলে কৃতকার্য ও অকৃতকার্যদের সকলকে এক নম্বর দেওয়া হল না কেন? সবাইকেই কি বাড়তি ১ নম্বর দেওয়া উচিত ছিল না? নাকি বিশেষ কোনও কারণে ওই ২৭৩ জনকে বাড়তি ১ নম্বর দেওয়া হয়েছিল? বিতারপতিদের প্রশ্নবানের মুখে জবাব দিতে ব্যর্থ হয় পর্ষদের আইনজীবীরা৷

বস্তুত, নিয়োগে বেনিয়মের অভিযোগে ইতিমধ্যেই চাকরি থেকে বরখাস্ত হয়েছেন মন্ত্রীকন্যা অঙ্কিতা অধিকারী৷ একই সঙ্গে ২৬৯ জনকেও চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত৷ ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্তে নেমেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই৷ তারপরই সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য৷ যার জেরে কেচো খুঁড়তে কেউটে বেরিয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে খোদ শিক্ষা মহলের অন্দরেই৷

আরও পড়ুন: পুলিশের চাকরি করতে এসেছিলাম, এভাবে গরু সামলাতে হবে কে জানত