Home খাস পলিটিক্স রাতারাতি হটকেক, দিলীপের দরবারে উপচে পড়ছে ভিড়

রাতারাতি হটকেক, দিলীপের দরবারে উপচে পড়ছে ভিড়

0
748

খাস খবর, কলকাতা: নেই কোনও যোগ্যতার মাপকাঠি৷ শুন্য পদ সংখ্যারও কোনও সীমা নেই৷ শুধু চাই কাজ করার স্বদিচ্ছা৷

আরও পড়ুন- শুভেন্দুকে হত্যার চক্রান্ত ফাঁস প্রাক্তন তৃণমূল নেতার

লোক নিচ্ছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ৷ বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছেন৷ স্বভাবতই হটকেকের মতো চাকরি প্রার্থীদের ভিড় উপচে পড়ছে গেরুয়া শিবিরে৷

আরও পড়ুন- প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে দিল্লির পথে বিজেপির বঙ্গ ব্রিগেড

দিলীপবাবুর কথায়, ‘‘আইন, ডিজিট্যাল মাধ্যম, কাজ করার কৌশল এবং সামাজিক যোগাযোগ বৃদ্ধির পদ্ধতি-এই চারটি বিষয়ে শিক্ষানবীশ নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি৷’’ কেন? দিলীপবাবুর কথায়, ‘‘রাজনীতিতে শিক্ষিত যুবক সমাজকে প্রয়োজন৷ আমরা কোনও যোগ্যতার বিচার করছি না৷ চাই শুধু কাজ করার মানসিকতা৷ বাকিটা আমরা তৈরি করে নেব৷’’

আরও পড়ুন- মোদীর সভার আগে রাজ্যপাল-সৌরভ সাক্ষাৎ ঘিরে জল্পনা

দিলীপবাবু জানিয়েছেন, যাঁরা শিক্ষানবীশ হিসেবে কাজ করতে চান তাঁরা sansad@amaderdilipda.in এ নিজেদের জীবনপঞ্জি পাঠাতে পারেন৷ সঙ্গে সিসি করতে হবে devworld24@gmail.com এই ইমেল আইডিতে৷ কাজের সময়সীমা প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত৷ আবেদনকারীরা একটি সাদা কাগজে নিজেদের প্রত্যাশা অর্থাৎ কি ধরণের পারিশ্রমিক চান সেটাও লিখতে পারেন৷

কি প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে? সাংসদের অফিস সূত্রের খবর: আইন বিষয়ে শিক্ষানবীশদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন অভিজ্ঞ আইনজীবীরা৷ মূলর, তথ্য জানার অধিকার আইনে কিভাবে মামলা করতে হয় এবং বিভিন্ন বিল ও আইনী নীতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল করে তোলার বিষয়েও যাবতীয় সহযোগিতা করবেন সিনিয়ররা৷ আইনের পরেই থাকছে ডিজিট্যাল মাধ্যম। যেখানে মাত্র কয়েকটি কার্টুন বা গ্রাফিক্স দিয়ে খুব কম কথার মধ্যে অনেক কিছু প্রকাশ করা যায়৷ দিলীপের কথায়, ‘‘এখন তো যুগটাই ডিজিটাল৷ ফলে যাঁরা কাজ করতে আগ্রহী তাঁদের এবিষয়ে অবশ্যই প্রশিক্ষণ নিতে হবে৷ বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে বর্তমান সমাজকেও ডিজিট্যাল সমৃদ্ধ হতে হবে৷’’

এরপরে থাকছে আউটডোর ওয়ার্ক অর্থাৎ মাঠে ময়দানে রাজনীতির রণকৌশল নির্ধারনের প্রক্রিয়া৷ সবশেষে শেখানো হবে মানুষের সঙ্গে যোগা়যোগ বৃদ্ধি করার কৌশল৷ দিলীপের কথায়, ‘‘আমরা কাউকেই বিনা পয়সা কাজ করাব না৷ শিক্ষানবীশদেরও নুন্যতম বেতনের ব্যবস্থা থাকবে। তারপর কাজের মানের ভিতিতে সেটা বাড়বে৷’’

স্বভাবতই, মেদিনীপুরের সাংসদের মেল আইডি তো বটেই, সাংসদ কার্যালয়েও উপচে পড়ছে চাকরি প্রার্থীদের ভিড়৷