এবার কেজরিওয়ালের পাখির চোখ বাংলা, কলকাতায় নয়া অফিসের সূচনা রবিবার

0
13
Rajasthan

কলকাতা: দিল্লির পর পঞ্জাবের আমজনতার আস্থা অর্জনে সমর্থ হয়েছেন তাঁরা৷ এই মুহূর্তে লক্ষ্য গুজরাট দখল৷ তারই সঙ্গে বছর খানেক আগে থেকেই গুটি গুটি পায়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক জমিতে ‘হাল’ করার কাজে নেমেছিল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি (AAP)৷ এবার জনতার দাবি মেনে কলকাতায় নিজেদের রাজ্য সদর দফতরের সূচনা করতে চলেছে আপ৷

বস্তুত, মেদিনীপুর, দুর্গাপুর সহ কয়েকটি জেলায় এই মুহূর্তে রয়েছে আপের স্থায়ী অফিস৷ তবে রাজধানী কলকাতায় সেই অর্থে ছিল না কোনও সদর দফতর৷ এই নিয়ে গত এক বছর ধরে ‘জায়গা’ খুঁজছিলেন নেতৃত্বরা৷ অবশেষে দক্ষিণ কলকাতার রুবি মোড়ের কাছে হালতুর হসপিটাল রোডে দেখা হয়েছে ভবন৷ রবিবার সেখান থেকেই এরাজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে সাংগঠনিক কাজকর্ম শুরু করতে চলেছে আপ৷

- Advertisement -

দলের নয়া দফতরের ‘ওপেনিং’য়ের কথা স্বীকার করে নিলেও বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত আপের কেন্দ্রীয় নেতা সঞ্জয় বসুর দাবি, ‘‘আমরা এই মুহূর্তে বাংলার দিকে বিশেষ নজর দিচ্ছি না৷’’ কারণ হিসেবে তাঁর ব্যাখ্যা, ‘‘দিল্লি, পঞ্জাবের পর এই মুহূর্তে আমরা গুজরাত বিধানসভার দিকে বাড়তি জোর দিচ্ছি৷ কারণ, গুজরাতে আমরা জেতার মতো জায়গায় রয়েছি। তাই অন্য দিকে নজর নয়।’’ বস্তুত, আপের ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যেই রয়েছে একটি একটি করে রাজ্যের দিকে নজর দেওয়া।

যদিও রাজনৈতিক মহলের মতে, সামনের বছরই এরাজ্যের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন৷ সেদিকে খেয়াল রেখেই এবার কলকাতায় নিজেদের সদর দফতর খোলার পথে হাঁছল আপ নেতৃত্ব৷ ওই মহলের মতে, বেশ কিছুদিন আগে থেকেই গোপনে অতি সন্তর্পণে বাংলার রাজনৈতিক জমিতে চাষ শুরু করেছে আম আদমি পার্টি ((AAP))৷ বীরভূম, মেদিনীপুর সহ একাধিক জেলায় তাঁরা সংগঠন বৃদ্ধির কাজেও সলতে পাকানো শুরু করেছে৷ জেলার প্রতিটি ব্লকে ৪-৫ জনের একটি গ্রুপ করা হয়েছে। সেইমতোই জেলায় জেলায় চলছে সেই কাজ। গ্রুপের দায়িত্ব দলের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা, প্রচার অভিযান কর্মসূচি চলছে। জানা গেছে, আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকেই আম আদমি পার্টি এরাজ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। বিভিন্ন জায়গাতে তাঁরা প্রার্থী দেবেন। যদিও এখনই এই বিষয়ে বিশেষ কিছু ‘ঝেড়ে কাশতে’ নারাজ সঞ্জয় বসু৷

বস্তুত, ইতিমধ্যেই জেলাস্তরে সংগঠনের কাজ করতে গিয়ে যথেষ্ঠ সাড়া পেয়েছেন আপ নেতৃত্ব৷ রাজনৈতিক মহলের মতে, পঞ্চায়েতে ভোটে আপ যদি এরাজ্যে লড়ে সেক্ষেত্রে কপাল পুড়তে পারে অনেকেরই৷ কোন জেলায়, কাদের কতখানি ‘ধস’ নামবে আপাতত তা নিয়েইঈ চড়ছে জল্পনার পারদ৷

আরও পড়ুন: পুজোর মুখে কুড়মি আন্দোলনে স্তব্ধ রেল, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি

downloads: https://play.google.com/store/apps/details?id=app.aartsspl.khaskhobor