হঠাৎ পায়ে তীব্র খিঁচুনি, অক্ষম হয়ে পড়লেন স্বামী, সামনে আসল ভয়ঙ্কর রোগ

0
68

খাস খবর ডেস্ক: আঘাত পাওয়া ছাড়াই অনেক সময় হাতে পায়ে ব্যথা দেখা দেয়। যেমন- জুতা ফিট না হওয়া, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস ও অপর্যাপ্ত রক্ত চলাচল। বিষয়টি অনেক সময় আমরা গুরুত্ব দিই না। কিন্তু, এই অবহেলাই ভবিষ্যতে বিপদের কারণ হতে পারে। সেরকমই এক উদাহরণ পাওয়া গিয়েছে ইংল্যান্ডের গ্রেটার ম্যানচেস্টারে।

আরও পড়ুন: নিউটাউনে ৬ বছরের শিশুকন্যাকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, গ্রেফতার বাড়ির মালিকের ছেলে

চার সন্তানের বাবা গ্লেন উর্মসন(৫৯)। তাঁকে দেখে বোঝা যাবে না যে তার মধ্যে কোনও রোগ লুকিয়ে আছে। উঁচুলম্বা, খুব ফিট দেখতে গ্লেন গত বছরের শুরু থেকে প্রতি রাতে তার পায়ে তীব্র ব্যথা অনুভব করতেন। তিনি এই ব্যাথাকে ক্লান্তির ফল বলেই মনে করেছিলেন। কিন্তু হঠাত্‍ করে গত বছরই তার খিঁচুনি শুরু হয়। এরপর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

কিন্তু, সেখানে গিয়ে দেখা যায়, তার মেরুদণ্ডে সংক্রমণ হয়েছে যা খুবই সংকটজনক অবস্থায় পরিণত হয়েছে। এই সংক্রমণের কারণেই দীর্ঘদিন ধরে তার পায়ে ব্যথা হচ্ছিল। এই খিঁচুনির পর থেকেই গ্লেন হুইলচেয়ারে রয়েছেন। গ্লেন জানিয়েছেন, একদিন অফিসে হঠাত্‍ তার খিঁচুনি শুরু হয়। এরপর ৩০ নভেম্বর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেই সময় করোনার কারণে এত ভিড় ছিল যে গ্লেনকে ভর্তি করতে পাঁচ ঘন্টা সময় লেগেছিল। ভর্তির পর চিকিত্‍সকরা পরীক্ষা করেন, তবে খিঁচুনির কারণ জানতে পারেনি। অতঃপর, গ্লেনকে বাড়িতে ফেরত পাঠানো হয়। এরপর থেকেই ধীরে ধীরে গ্লেনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে।

গ্লেনের অবস্থার অবনতির মধ্যে পরিবারটি বড়দিনের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ছিল। এদিকে হঠাত্‍ করেই আবার গ্লেনের খিঁচুনি ওঠে।  চিকিত্‍সকদের কাছে নিয়ে গেলে তখন তাঁরা তার রোগটি ধরতে পারেন এবং জানতে পারেন যে, তার মেরুদণ্ডে সংক্রমণের কারণে তিনি নড়াচড়া করতে পারছেন না। করোনার কারণে তাকে বেশিদিন হাসপাতালে রাখা সম্ভব হয়নি। বাড়িতে গ্লেনের অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় গ্লেনের স্ত্রী তাকে হাসপাতালে ভর্তি করার জন্য চিকিত্‍সকদের অনুরোধ করেন। এরপর, গ্লেনের স্ত্রী জানান, পায়ের ব্যথা উপেক্ষা করা কীভাবে বিপজ্জনক হতে পারে।