বিবেকানন্দ শুধু ধর্ম প্রচার করুন, চাইতেন না ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

0
31

বিশ্বদীপ ব্যানার্জি: রামকৃষ্ণ পরমহংস নিজে কখনও শুকনো সাধু হতে চাননি। সবসময় মা ভবতারিণীকে বলতেন, “আমায় রসেবশে রাখিস, মা।” এহেন ঠাকুর তাঁর প্রিয় শিষ্য নরেন্দ্রনাথকে-ও কি শুকনো সাধু বানাতে চাইবেন?

আরও পড়ুন: মাকড় চণ্ডীকে চেনেন কি

- Advertisement -

বাস্তবিকই ঠাকুর চাইতেন না যে স্বামীজি এক কেঠো, স্বার্থপর সন্ন্যাসী হোন, যিনি শুধু নিজের মুক্তির জন্য সাধনা করবেন। কথাপ্রসঙ্গে একবার তো স্বামীজি ভগিনী নিবেদিতাকে বলেওছিলেন— শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবকে কিংবা বেদান্ত প্রচার করা তাঁর দায় নয়; তাঁর দায় ভারতের সকল ঘুমন্ত মানুষকে জাগ্রত করা।

শুনে চমকালেন তো? ভাবছেন, শ্রীরামকৃষ্ণের প্রধান শিষ্যের পক্ষে এমন মন্তব্য করা কী সত্যিই সম্ভব? সম্ভব। কারণ, এটিই একমাত্র সারসত্য— আধ্যাত্মিক ভাবাদর্শ উপলক্ষ্য মাত্র। রামকৃষ্ণ পরমহংস নিজেই তাঁর আদরের ‘লরেন’কে নির্দেশ দিয়েছিলেন, “স্বার্থপর সাধুদের মতো কেবলমাত্র নিজের মুক্তির কথা না ভেবে দেশের অগণিত অসহায় মানুষের মুক্তির ব্যবস্থা তোকে করতে হবে।”

খাস খবর ফেসবুক পেজের লিঙ্ক:
https://www.facebook.com/khaskhobor2020/

বলার অপেক্ষা রাখেনা, জীবনের শেষদিন পর্যন্ত এ আদেশ স্বামীজী অক্ষরে অক্ষরে পালন করে গিয়েছেন। কারণ কথার কথা নয়, বাস্তবিক-ই স্বামী বিবেকানন্দ ছিলেন বীরেশ্বর। ভারত মাতার সুযোগ্য সন্তান। এ দেশের একেকটি ধূলিকণাও তাঁর কাছে স্বর্গতুল্য। অপরদিকে, কেন যোগশক্তিতে এত ভরপুর একটি দেশ বৈদেশিক শক্তির পদানত?— এ চিন্তা স্বভাবতই এক মুহুর্তের জন্যও শান্তি দেয়নি তাঁকে।