‘Together Forever’, সমাজের বাঁকা চোখ এড়িয়ে আংটিবদল দুই তরুণীর

0
21

খাস ডেস্ক: ভারতে বৈধ সমকামিতা। দেশের শীর্ষ আদালত এই রায় দিয়েছে। তবে সমাজের অনেকেই এই সমকামিতাকে বাঁকা চোখে দেখেন। দুটি ছেলে বা দুটি মেয়েকে বিয়ে করতে দেখলেই ওঠে হাজারটা কথা। হয় প্রবল সমালোচনাও। তবে সমাজের সেই সমস্ত বাঁকা কথা ও বাঁকা নজর এড়িয়েই সম্পর্ককে স্বীকৃতি দিলেন দুই তরুণী। আংটি ও মালা বদল করেই শুরু করেছেন তাঁদের নতুন জীবন। দুই তরুণীর বিয়ের ছবিই সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে।

আদিলা নাসারিন এবং ফাতিমা নুরা যারা সমকামী যুগল হিবেই নিজেদের স্বীকৃতি দিয়েছেন। দুই তরুণীই তাঁদের যারা বাবা-মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পর দ্বারা বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরে মে মাসে কেরালা হাইকোর্ট দ্বারা পুনরায় মিলিত হয়েছিল। আদিলা এবং ফাতিমা দুজনেই সম্প্রতি আংটি বিনিময় করেছে। এই দম্পতি গত মাসে “অ্যাচিভমেন্ট আনলকড: টুগেদার ফরএভার” ক্যাপশন সহ ইনস্টাগ্রামে তাদের সমুদ্রতীরবর্তী অনুষ্ঠানের ছবি শেয়ার করেছেন। বিয়ের পোশাক পরে, ঐতিহ্যবাহী গহনা pore মালাবদলও করেছেন। সেই সমস্ত আনন্দের মুহূর্তের ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন। মিসেস নাসারিন একটি ছবির ক্যাপশন দিয়েছেন, “আমি যে নিয়মগুলি তৈরি করি তা আমি মেনে চলি।” অনেকেই এই দুই তরুণীর নতুন জীবনের জন্য শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানিয়েছেন।

- Advertisement -

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Fathima Noora (@noora_adhila)

আংটি বদলের  পরেই বেশ অনেকগুলি মুহূর্তের ছবিই শেয়ার করেছেন নাসারিন। একটি ছবিতে মালাবদল, একটিতে একে অপরের হাত শক্ত করে ধরে থাকতে, এবং দুজনকে একটি কেক ধরে থাকতে দেখা গিয়েছে। দুজনের গলায় ছিল মালা এবং জীবনের বিশেষ দিনে সেজেছিলেন সুন্দর করেই। নাসারিন সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, “আমরা শুধু ফটোশুটের চেষ্টা করেছি কারণ আমরা ভেবেছিলাম যে ধারণাটি আকর্ষণীয় ছিল। আমরা এখনও বিবাহিত নই, তবে কিছু সময় পর আমার বিয়ে করব।” তাঁরা জানিয়েছেন তাঁরা দুজনে সৌদি আরবে দেখা করেছিলেন যখন ছাত্রী ছিলেন এবং পরে তারা একসাথে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তাঁদের পরিবার দুজনের সম্পর্কের বিষয়ে আপত্তি করার পরে একটি কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছিলেন।

নাসারিন তার পিটিশনে বলেছিলেন যে তিনি মে মাসে কেরালার কোঝিকোডে পৌঁছেছিলেন এবং মিসে নুরার সাথে দেখা করেছিলেন। কিছু দিন তাঁরা একটি আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করেছিলেন কিন্তু পরে খবর পেয়ে নাসরিনের আত্মীয়রা দুই যুগলকে কোঝিকোড থেকে আলুভা নিয়ে যায় এবং কিছু দিন পর নুরার বাবা-মা তাকেও জোর করে তুলে নিয়ে যায়। তবে কেরালা হাইকোর্ট জোর করে আলাদা করা নিয়ে দুই যুবতীর পক্ষে রায় দেয় এবং তাঁরা আবারও একত্রিত হন।