‘শাড়ী স্মার্ট পোশাক নয়’, নামকরা রেস্তোরাঁয় ঢুকতে না পেরে ‘অপমানিত’ দূরদর্শন কর্মী 

'শাড়ি পড়া বারণ, কারণে অকারণ'

0
568

 

খাস খবর ডেস্ক: ‘শাড়ি পড়া বারণ, কারণে অকারণ’, জনপ্রিয় বাংলা গানের দু’কলি বদলে দিলে গোটা ঘটনা নিয়ে এমন লেখাই যায়। কারণ? শুধুমাত্র শাড়ী পরে থাকার জন্য এবার দিল্লির এক নামী রেস্তোরাঁয় ঢুকতে দেওয়া হল না এক মহিলাকে। ফল? যা হওয়ার তাই, সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের রোষানলে পড়ল সংশ্লিষ্ট রেস্তোঁরাটি।

- Advertisement -

রবিবার অনিতা চৌদারী নামক এক ফেসবুক ব্যবহারকারী এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ, দিল্লির নামকরা রেস্তোঁরা অ্যাকিলা প্লাজায় তাঁকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি স্রেফ তিনি শাড়ি পড়ে ছিলেন বলে৷ তিনি লেখেন, ‘দিল্লির একটি রেস্টুরেন্টে শাড়ি নাকি স্নার্ট পোশাক বলে বিবেচিত হয় না। রেস্টুরেন্টের নাম অ্যাকিলা। আমরা শাড়ি নিয়ে বিবাদে জড়িয়ে পড়ি। কিন্তু শেষ অবধি আমাকে রেস্টুরেন্টের ভেতরে যেতে দেওয়া হয়নি। কারণ এটি ভারতীয় বস্ত্র। এর আগে আমি এভাবে কখনও অপমানিত হইনি।’

ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চৌদারী দূরদর্শনের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর। তিনি এই দাবি করার পাশাপাশি রেস্টুরেন্টের এক কর্মীর সঙ্গে বচসার ভিডিও-ও পোস্ট করেন। একইসঙ্গে শাড়ী পরিহিত অবস্থায় নিজের কিছু ছবিও পোস্ট করেন তিনি৷

ক্রমেই ভাইরাল হয়ে যায় অনিতার এই পোস্ট। নেটিজেনরা সমস্বরে সমালোচনা করেন রেস্টুরেন্টটির। এক ট্যুইটার ব্যবহারকারী আবার লেখেন, ‘আমি আরব আমিরশাহী, ইংল্যান্ডের রেস্টুরেন্টেও শাড়ী পরে গিয়েছি। কে বলল শাড়ী স্মার্ট পোশাক নয়? ওখানে তো কেউ আমাকে থামাতে আসেনি। আর ভারতে কিনা কোনও এক অ্যাকিলা প্লাজা পরিধান নিয়ে নির্দেশ দিচ্ছে?’ নেটিজেনদের রোষাণলে মুহূর্তের মধ্যেই কমতে শুরু করে রেস্টুরেন্টের রেটিং। জোম্যাটো, স্যুইগি সহ একাধিক অ্যাপে নেগেটিভ রিভিউ দিতে শুরু করেন নেটিজেনরা।

তবে এই প্রসঙ্গে সাফাই-ও গেয়েছে রেস্টুরেন্টটি। তাঁরা ইন্সটাগ্রামে দাবি করেছে, ওই মহিলার নামে কোনও রিজার্ভেশন ছিল না। তাই তাঁকে অপেক্ষা করতে বলা হয়েছিল। তিনি তা না করে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। শাড়ী সংক্রান্ত তাঁদের মন্তব্যটি নিতান্তই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য করা।