দেবী নুপুর পরে ঘোরেন, সব মানসিক রোগ সেরে যায়, এই মন্দির দেখে স্তম্ভিত NASA-ও

0
279

বিশ্বদীপ ব্যানার্জি: এমন কিছু কিছু ঘটনা আজও ঘটে, যার কোনও ব্যখ্যা নেই। বড় বড় বিজ্ঞানীরা-ও হাজার হাজার পুঁথিপত্র ঘেঁটেও তার ব্যখ্যা খুঁজে পান না। জানেন কি, এই ভারতবর্ষে-ই এমন এক মন্দির রয়েছে, যেখানে এমন ঘটনা নিত্য ঘটে চলেছে? হ্যাঁ, আর খোদ NASA এই মন্দিরকে দেখে স্তম্ভিত।

আরও পড়ুন: বাণেশ্বর শিবলিঙ্গ কী এবং কেন, সাধারণ শিবলিঙ্গের সঙ্গে এর পার্থক্য কী

- Advertisement -

এই রহস্যময় মন্দিরটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮৬০০ ফুট উচ্চতায় উত্তরাখণ্ডের কাসারগড়ে কাশ্যপ পাহাড়ে অবস্থিত, যা হিপি হিল বা ক্রাম্কস হিল নামে অধিক পরিচিত। সিংহবাহিনী অষ্টভুজা দুর্গার মন্দির। আর দেবীর গর্ভগৃহ আদতে একটি গুহা। যেখানে অখণ্ড জ্যোতি নামক একটি দীপ জ্বলছে। যা কখনওই নাকি নেভে না। তাছাড়া যে পবিত্র হোমকুণ্ড গর্ভগৃহে রয়েছে, তাতে নাকি ২৪ ঘন্টা আগুন জ্বলে। প্রচলিত কিংবদন্তি, এই হোমকুণ্ডের ছাইয়ের এত গুণ যে এই ছাই মাখালে যে কোনও ধরণের মানসিক রোগ সেরে যায়।

পাইন আর দেবদারু গাছের সারিতে ঘেরা এই মন্দির সার্বিকভাবে কাসার দুর্গা মন্দির নামে জনপ্রিয়। দেবী ভাগবত পুরাণ অনুসারে, এই স্থানেই শুম্ভ-নিশুম্ভ অসুর ভ্রাতৃদ্বয়কে বধ করেছিলেন দেবী কৌশিকী। আর স্থানীয় লোকশ্রুতি, প্রতি বছর কার্তিক পূর্ণিমায় দেবী স্বয়ং নুপুর পরে গ্রামের রাস্তায় ঘুরে বেড়ান। এলাকটি কাসারগড় হলেও এই গুহামন্দির যে স্থানে তার নাম, কাসার দেবী গ্রাম। কার্তিক মাসে এখানে বিরাট মেলা বসে।

এই মন্দিরে পদধূলি পড়েছে একাধিক বরেণ্য ব্যক্তিত্বের। ১৮৯০ সালে স্বামী বিবেকানন্দ এখানে এসে ধ্যান করেছিলেন। এছাড়াও পরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, উদয়শংকর, মা আনন্দময়ী, ডি এইচ লরেন্সরা-ও এসেছেন। তবে সবথেকে চমকপ্রদ ঘটনা হল, ২০১৩ সালে NASA-র কয়েকজন বিজ্ঞানীর আগমন। এই মন্দির নিয়ে আচম্বিত মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থাটি-ও।

খাস খবর ফেসবুক পেজের লিঙ্ক:
https://www.facebook.com/khaskhobor2020/

কাসার জায়গাটি ভ্যান অ্যালেন রেডিয়েশন বেল্টের অন্তর্ভুক্ত। ফলতঃ ভূচৌম্বকীয় এবং মহাজাগতিক রশ্মির সম্মিলিত প্রভাব এই অঞ্চলে কাজ করে। NASA বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই সম্মিলিত প্রভাবেই গোটা এলাকা পজিটিভ এনার্জিতে এতটা ভরপুর। উল্লেখ্য, কাসার ছাড়াও পেরুর মাচু পিচু এবং ইংল্যান্ডের স্টোনহেঞ্জ-ও ভ্যান অ্যালেন রেডিয়েশন বেল্টের অন্তর্ভুক্ত।