খুদে ‘আইনস্টাইন’কে দেখতে ভিড় বাড়ছে বাঁকুড়ার গ্রামে

0
571

তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: বয়স মাত্র ২ বছর ৯ মাস। এই বয়সেই তালডাংরার সাবড়াকোনের মামড়া গ্রামের তিয়াস দত্ত একশোটির বেশি ইংরাজি শব্দের বাংলা অর্থ একলহমায় বলে দিতে পারে! এখানেই শেষ নয়৷ দশটির বেশি দেশের জাতীয় পতাকা চিনে ফেলার ক্ষমতাও রাখে! পাশাপাশি যেকোনও বিষয় একবার শুনেই মনে রাখতে পারে সে!

স্বভাবতই, ছোট্ট তিয়াসকে অনেকেই ‘খুদে আইনস্টাইন’ বলে ডাকতে শুরু করেছেন! হ্যাঁ, ঊনবিংশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী, নোবেল জয়ী আলবার্ট আইনস্টাইনের সঙ্গেই তুলনা টানা হচ্ছে তিয়াসের। তুলনা টানার কারণ, ২ বছর ৬ মাস পর্যন্ত তিয়াস কোনও কথা বলত না৷ যেমনটা ছোট্ট আইনস্টাইনকে নিয়ে তার বাবা মার চিন্তার অন্ত ছিল না। কারণ তার বয়সের অন্য সব ছেলেমেয়েরা যখন কথা বলতে শিখে যায় তখনও ক্ষুদে আইনস্টাইন ঠিকমত কথাই বলতে শেখেনি।

বাঁকুড়ার অখ্যাত গ্রাম মামড়ার তিয়াসের মা রূপা দত্ত বলেন, ‘‘আড়াই বছরের অন্য বাচ্চারা যখন কথা বলে তখনও আমাদের তিয়াস কোনও কথা বলত না। এনিয়ে আমাদের দুঃচিন্তার শেষ ছিল না৷ অবশেষে ২ বছর ৭ মাস বয়স থেকে কথা বলা শুরু। তারপর মাত্র দু’মাসে একশোর বেশি ইংরাজী শব্দের বাংলা অর্থ ও শিখে ফেলেছে! লোকে বলছে, ও নাকি আইনস্টাইনের মতো ভাবুক প্রকৃতির৷’’ ছোট্ট তিয়াসের বাবা অভিজিৎ দত্ত একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত। মা রুপা দত্ত গৃহবধূ।

ছোট শিশুর ‘বিস্ময়ের’ কথা মুখে মুখে রটে গিয়েছে গ্রামান্তরে৷ লোকের মুখে তিয়াস নয়, ঘুরছে ‘ছোট্ট আইনস্টাইন’! প্রায় প্রতিদিনই বহু মানুষ দত্ত বাড়িতে ছুটে আসছেন এই ক্ষুদে প্রতিভাকে একবার চোখের দেখা দেখতে। প্রত্যেকেই বিস্মিত এই বিস্ময় বালককে দেখে।

আরও পড়ুন: অরাজনৈতিক মঞ্চে শুভেন্দু, জল্পনায় ফুটছে কাঁথি