অভিষেক, সায়নীদের প্রচারেও হল না কাজ, ত্রিপুরার চার কেন্দ্রে জামানত বাজেয়াপ্ত তৃণমূলের 

0
116

আগরতলা : ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় টানা তৃতীয়বার জয়ের পর অন্যান্য রাজ্যে সংগঠন বিস্তারে মন দেয় তৃণমূল কংগ্রেস। ত্রিপুরা, গোয়া এবং অসমে সংগঠন বিস্তারের কাজ শুরু করে বাংলার শাসক দল। 

আরও পড়ুন : আগামীতে বিজেপির লড়াই বাম-কংগ্রেসের সঙ্গে, বলছে উপনির্বাচনের ফল 

গোয়া বিধানসভা নির্বাচনের সময় তৃণমূল জোট করেছিল মহারাষ্ট্র গোমন্তক পার্টির সঙ্গে। যদিও ভোটের ফলাফলে পাঁচ শতাংশ ভোটও পায়নি বাংলার শাসক দল বরং তাদের জোট সঙ্গী তৃণমূলকে ছেড়ে বিজেপির হাত ধরেছিল। এবার ত্রিপুরার বিধানসভা উপনির্বাচনেও বিপর্যয় নেমে আসল তৃণমূল শিবিরের জন্য, দিনের শেষে উপনির্বাচনের ফলাফলে তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট ২.৮৫ শতাংশ। এমনকি যে আগরতলা পুরনিগমে কয়েক মাস আগে হয়ে যাওয়া নির্বাচনে তৃণমূল দ্বিতীয় হয়েছিল, সেই আগরতলা কেন্দ্রেই তৃণমূল প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ২.১ শতাংশ।

আরও পড়ুন : চাপ বাড়ল বিজেপির, রাজধানীতে জয়ী কংগ্রেস প্রার্থী 

উপনির্বাচনের প্রচারে এসেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ত্রিপুরায় এসে তিনি বিজেপিকে উৎখাতের ডাকও দিয়েছিলেন, কিন্তু বিজেপি বিরোধী ভোট পুরোটাই গিয়েছে বাম-কংগ্রেসের ঝুলিতে। উপনির্বাচনের প্রচারে মাটি কামড়ে পড়েছিলেন সায়নী ঘোষ, সুদীপ রাহাদের মতো তৃণমূলের তরুণ নেতা-নেত্রীরা। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলে ফেরার পর তাঁকে ত্রিপুরার ইনচার্জের দায়িত্ব দিয়েছিল তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। চারটি বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার পর এখন প্রশ্ন উঠছে এই বিপর্যয়ের দায় কে নেবেন? রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই উপনির্বাচনে এহেন বিপর্যয়কর ফলাফলে ত্রিপুরার রাজনীতির অন্যতম মূল শক্তি হিসেবে নিজেদের দাবি করার জন্য তৃণমূলের কাছে আর কিছু রইলো না। আট মাসের মধ্যেই বিধানসভা নির্বাচন ত্রিপুরায়, এখন স্বাভাবিক হবেই আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে উপনির্বাচনের ফল। আগামীতে ত্রিপুরার লড়াই বিজেপির সঙ্গে বাম-কংগ্রেসের বলছে রাজনৈতিক মহল।