এখনও পৌঁছায়নি বিদ্যুৎ, কেরসিনের লম্ফই ভরসা এই গ্রামের পড়ুয়াদের

0
33

আগরতলা: ভোট আসে, ভোট যায়। কিন্তু ভাগ্যের চাকা ঘোরে না ছোট্ট পার্বত্য ত্রিপুরা রাজ্যের উপজাতি অধ্যুষিত এলাকার বাসিন্দাদের। এলাকার কোনও কোনও জায়গায় এখনও বিদ্যুৎ পরিষেবা পৌঁছায় নি। ফলে, সেখানকার ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনা করতে হচ্ছে কেরোসিন সম্বলিত আধুনিক যুগের কপি বাতি দিয়ে।

আরও পড়ুনঃ “দিদির কাব্যের প্রতি ভালবাসা সম্মানিত হল”, বাংলা একাডেমি পুরস্কার নিয়ে মন্তব্য শ্রাবন্তীর

বাম সরকার গেল, রাম সরকার এল। বিজ্ঞানের যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ত্রিপুরা রাজ্যের শহর এলাকার পাশাপাশি প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতেও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটেছে। কিন্তু, এই ব্লকের অধীনেই নুনাছড়া এডিসি ভিলেজের কালীচরণ পাড়া এবং দাগ্রাম পাড়া এই দুটি এলাকায় এখনও পৌঁছায়নি বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ।

আরও পড়ুনঃ গ্রেফতার মুখ্যমন্ত্রীর ভাই, তোলাবাজির অভিযোগ

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গিয়েছে, এই উপজাতি দুটি পল্লীতে প্রায় ৩০টি পরিবারের বসবাস। অধিকাংশরা জুমিয়া। বিদ্যুতের অভাবে ওই এলাকার ছেলে মেয়েরা সন্ধ্যায় কেরোসিন সম্বলিত কুপি বাতির আলোয় পড়াশোনা করছে । যা অনেকটা অবাক হওয়ার বিষয়। অন্যদিকে, রোসিনের দাম ও খোলা বাজারে গগনচুম্বী। যা জুমিয়া পরিবারগুলোর ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। এরপরেও তাদের ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা জন্য চড়া দামে খোলাবাজার থেকে কেরোসিন কিনতে হচ্ছে।

এই ব্যাপারে মুঙ্গিয়াকামী আর. ডি. ব্লকের চেয়ারম্যান সুনীল দেববর্মা বলেন, নুনাছড়া এডিসি ভিলেজের কালীচরণ পাড়া, দাগ্রাম পাড়া, গদাই মঙ্গকুড়ুই এবং কলই বস্তি এলাকাগুলিতে যাতায়াত করার জন্য রাস্তা নেই। রাস্তা না থাকার কারণে এলাকাগুলিতে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে আগামী দিনে ওই সব এলাকাগুলিতে রাস্তার উন্নয়নের কাজ করে বিদ্যুৎ সম্প্রসারিত করার আশা ব্যক্ত করেন তিনি।