খাস খবর’র জের, পুনরায় ‘বৃদ্ধভাতা’ ফিরে পেলেন অসহায় বৃদ্ধা 

0
30

বিক্রম কর্মকার, আগারতলা: বয়স পেরিয়ে এখন ৯০ ছুঁই ছুঁই। বয়সের ভারে এখন আর উনি সোজা হয়েও হাঁটতে পারেন না। স্বামী মারা গিয়েছেন অনেক বছর আগেই। ওই বৃদ্ধ মহিলার নাম ৯০ বছর বয়সী নিয়তি সরকার। তাঁর বাড়ি ত্রিপুরা জম্পুইজলা আর .ডি. ব্লকের যুগলকিশোর নগর এডিসি ভিলেজের রায়পাড়া এলাকায়।

ওই বৃদ্ধ মহিলার জীবনের শেষ অবলম্বন ওই একটা লাঠি। যদিও বা সরকার থেকে সামান্য ভাতা পেতেন। এখন সেটাও বন্ধ ছিল। কিন্তু অবশেষে খাস খবর’র জেরে ত্রিপুরার প্রশাসন নড়েচড়ে বসল। পুনরায় বৃদ্ধ ভাতা ফিরে পেলেন ত্রিপুরায় অসহায় গরীব বৃদ্ধা নিয়তি সরকার।

আরও পড়ুন-Cyclone Jawad: বাংলাজুড়ে দুর্যোগ, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে হাওড়ার ঘাটগুলি পরিদর্শনে সমবায় মন্ত্রী 

প্রসঙ্গত, বেশ কিছুদিন আগে রায়পাড়া এলাকার বৃদ্ধা নিয়তি সরকার সংবাদমাধ্যমের দ্বারস্থ হয়ে অত্যন্ত বেদনার সহীত জানিয়েছিলেন, উনি প্রতি মাসে এক হাজার টাকা করে বৃদ্ধ ভাতা পেতেন। এতে ওনার হাত খরচ থেকে শুরু করে প্রতিমাসে ওষুধ কেনার খরচ হয়ে যেত। কিন্তু গত দশ মাস আগে হঠাৎ উনার ভাতা বন্ধ হয়ে যায়।

ভাতা বন্ধ হয়ে যাবার ফলে উনি একেবারেই নিরুপায় হয়ে পড়েছিলেন। তারপর ওই বৃদ্ধার খবর জনসমক্ষে প্রকাশ হওয়ার পর অবশেষে জেলা প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছে। জেলাশাসকের নির্দেশে জম্পুইজলা আর.ডি ব্লক- এর বিভিন্ন পদাধিকারীরা তড়িঘড়ি করে পৌঁছান রায়পাড়া এলাকায় বৃদ্ধা নিয়তি সরকারের বাড়িতে।

আরও পড়ুন-Price rise: বাড়বে জিএসটি, নতুন বছরেই বাড়তে চলছে জামাকাপড়-জুতোর দাম 

পদাধিকারীরা ওই বৃদ্ধা নিয়তি সরকারের বাড়িতে এসে বৃদ্ধার হাতে ১২০০০ টাকার একটি চেক তুলে দেন। তার পাশাপাশি বৃদ্ধা মহিলাকে আশ্বাস দেন যে, আগামী মাস থেকে ওনার বন্ধ হয়ে যাওয়া ভাতা পুনরায় চালু হয়ে যাবে। এদিকে বন্ধ হওয়া ভাতা পুনরায় চালু আশ্বাস পাশাপাশি ১২ হাজার টাকার চেক পেয়ে বৃদ্ধা নিয়তি সরকারের চোখেমুখে অত্যন্ত আনন্দের ছাপ লক্ষ্য করা গিয়েছে।

ভীষন খুশী হয়ে ওই বৃদ্ধ জানিয়েছেন, এখন আর কোনও চিন্তা নেই। ওষুধ থেকে শুরু করে খাওয়া-দাওয়ার টাকা এই ভাতার টাকা দিয়েই চলবে। বৃদ্ধা নিয়তি সরকার জানিয়েছেন, সরকার মানুষের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে। এমনকি বর্তমান সরকার গরিবদের পাশেও রয়েছে। পাশাপাশি নিয়তি সরকারের পরিবারের লোকজনও অত্যন্ত খুশি।