Chopper Crash: কেন ভেঙে পড়েছিল CDS Bipin Rawat-এর কপ্টার, সূত্রে জানা গেল সম্ভাব্য কারণ

0
62

নয়াদিল্লি: প্রায় এক মাস হতে চলল ভারতের প্রতিরক্ষা প্রধানের অকাল মৃত্যু। গত ডিসেম্বরে ভারতীয় বায়ুসেনার MI-17v5 হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় প্রয়াত হয়েছেন CDS বিপিন রাওয়াত, তাঁর স্ত্রী সহ ভারতীয় সেনার আরাও ১২ জন জওয়ান। কি কারণে এত সুরক্ষিত চপার দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল সেই নিয়েই চলছে তদন্ত। সূত্র জানিয়েছে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার বিষয়ে বায়ুসেনার তদন্ত প্রায় সম্পূর্ণ এবং শীঘ্রই রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।

রাওয়াতের কপ্টার দুর্ঘটনার তদন্তে সেই দিনই বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছিল। সেই দলে ছিল ভারতের তিন বাহিনীই। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যত দ্রুত সম্ভব দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে বের করতে হবে। এক দিন আগেই জানা গিয়েছিল জানুয়ারিতেই আদালতে জমা পড়তে পারে CDS Rawat-এর কপ্টার দুর্ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট। তারমধ্যেই জানা গেলে দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ। তবে এয়ার ফোর্স বা সরকার কেউই তদন্ত বা তার প্রতিবেদনের বিষয়ে এখনও কোনও বিবৃতি দেয়নি। তবে সূত্রগুলি ইঙ্গিত দেয় যে খারাপ আবহাওয়ার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ার কারণে দুর্ঘটনায় অবদান থাকতে পারে।

যদিও পাইলট-ত্রুটি দুর্ঘটনার অন্তর্নিহিত কারণ কিনা বা পাহাড়ি এলাকায় মেঘের মধ্যে কাজ করার নিয়মগুলি উপেক্ষা করা হয়েছিল কিনা সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও বিবৃতি বা ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। সূত্র জানিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় হেলিকপ্টার পাইলট এয়ার মার্শাল মানবেন্দ্র সিং-এর নেতৃত্বে কোর্ট অফ ইনকোয়ারি বিশ্বাস করে যে MI-17v5 বিমানটি যেটি ৮ ডিসেম্বর তামিলনাড়ুর নীলগিরি পাহাড়ে ভেঙে পড়েছিল সেই চপারের পাইলট হয়তো দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিলেন। যার জেরেই এই দুর্ঘটনা ও ভারতের প্রতিরক্ষা প্রধান, তাঁর স্ত্রী এবং ১২ জনের প্রাণহানি। আরও জানিয়েছে যে তদন্তে প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা যান্ত্রিক ত্রুটির কোনো সম্ভাবনা নাকচ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০২১-এর ৮ ডিসেম্বর তামিলনাড়ুর নীলগীরি জেলার কুনুরের কাছে হেলিকপ্টারটি ভেঙে পড়ায় সেই দিনেই মৃত্যু হয়েছিল সিডিএস বিপিন রাওয়াত, তাঁর স্ত্রী এবং বাকি ১১ জনের। কপ্টারে ছিলেন ১৪ জন যাত্রী। এবং অন্যরা বোর্ডে ছিলেন। সেই মুহূর্তে গ্রুপ ক্যাপ্টেন বরুণ সিং বেঁচে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি। ১৫ ডিসেম্বর বেঙ্গালুরুর একটি হাসপাতালে তাঁরও মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পরেই উদ্ধার করা হয়েছে হেলিকপ্টারের ‘ব্ল্যাক বক্স’, ককপিট ভয়েস রেকর্ডার (একটি ডিভাইস যা অডিও যোগাযোগ রেকর্ড করে) এবং ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার (যা ফ্লাইটের ইতিহাস সংরক্ষণ করে)। এই তথ্যগুলি থেকেই দুর্ঘটনার আসল কারণ খুঁজে বের করার পক্রিয়া চলছে।