শিনা বোরা হত্যাকাণ্ড: জেল থেকে ছাড়া পেলেন অভিযুক্ত Indrani Mukherjee

0
48

খাস খবর ডেস্ক: অবশেষে স্বস্তি পেলেন শীনা বোরা হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়। প্রায় সাড়ে ছয় বছর পর শুক্রবার বিকালে মুম্বইয়ের বাইকুল্লা জেল থেকে ছাড়া পান তিনি।২০১৫ সালের আগস্ট মাসে ইন্দ্রানীকে গ্রেফতার করেছিল খার পুলিশ। তারপর থেকেই মুম্বইয়ের বাইকুল্লা জেলেই ছিলেন ইন্দ্রাণী। গত বুধবারই সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এল নাগেশ্বর রাও, বিচারপতি বিআর গাভাই ও বিচারপতি এএস বোপান্নার বেঞ্চ শর্তসাপেক্ষে তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছিল।

আরও পড়ুন: মা দুর্গাকে মানতে চাননি রামকৃষ্ণ,শেষে শাড়ি পড়ে দেবীর সখী সেজেই আরতি করেন

এদিন জেল থেকে বেরিয়ে ইন্দ্রানী বলেন, ‘এতদিন পর খোলা আকাশ দেখতে পেলাম। দারুণ লাগছে। এখন বাড়ি যাচ্ছি। এবার কী করব, আপাতত কোনও পরিকল্পনা করিনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘এতদিন জেলে থেকে অনেক কিছু শিখেছি। কিছু বিষয় আছে যেগুলো ভুলে যাওয়াই ভাল। সহমর্মী হওয়া খুব প্রয়োজন। যারা কষ্ট দিয়েছে, তাদের ক্ষমা করে দিয়েছি।’

২০১২ সালে শিনা বোরাকে খুন করা হয়। বিষয়টি সামনে আসে ২০১৫ সালে, যখন অন্য একটি ঘটনায় ইন্দ্রাণীর গাড়ির চালক গ্রেফতার হয়। জেরা করা হয় তাঁকে। জেরায় সে স্বীকার করে নেয় খুনের কথা। সেই সঙ্গে সে পুলিশকে জানায়, ইন্দ্রাণী আর সঞ্জীবকে শিনার দেহ লোপাট করতে সাহায্য করেছিল সে। এছাড়াও বলে, কোথায় দেহ ফেলে রেখে এসেছেন দম্পতি। গাড়ির ড্রাইভারের থেকে তথ্য পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিনার ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন দেহ উদ্ধার করে।

এরপর ২০১৫ সালেই শিনা বোরা খুনে মূল অভিযুক্ত ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায় এবং তার প্রাক্তন স্বামী সঞ্জীব খান্নাকে গ্রেফতার করে সিবিআই। ওই বছরই নভেম্বরে ইন্দ্রাণীর তত্‍কালীন স্বামী পিটার মুখোপাধ্যায়কেও সিবিআই গ্রেফতার করে। অভিযোগ, তিনিও এই ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন। এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি উঠলে, তদন্তের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হয়। ২০১৫ সালে গ্রেফতার হন ইন্দ্রাণী। তার বিরুদ্ধে ১২০ খ (ফৌজদারি ষড়য়ন্ত্র), ৩৬৪ (অপহরণ), ৩০২ (খুন), ২০১ (পারিপার্শ্বিক তথ্য প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা) ধারায় মামলা রুজু করে সিবিআই। যদিও, পরে ২০২০ সালের মার্চে বম্বে হাইকোর্ট ইন্দ্রাণীর প্রাক্তন স্বামী পিটারের জামিন মঞ্জুর করে।