যুবসমাজকে আবদুল কালাম ও মোদীজিকে আদর্শ করার বার্তা Rajnath Singh -র

0
60

পুনে: কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) শুক্রবার শিক্ষার্থীদের শিক্ষার গুরুত্ব বোঝানোর এবং ইতিবাচক পরামর্শ দেওয়ার সময় ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের কথা তুলে ধরেছেন। তিনি শিক্ষার্থীদের বলেছেন এপিজে আবদুল কালামকে আদর্শ করতে। পুনের ডিওয়াই পাতিল বিদ্যাপীঠের সমাবর্তনে ভাষণ দেওয়ার সময় রাজনাথ সিং বলেন, “একজন কোটিপতি হওয়া সত্ত্বেও কেউ ওসামা বিন লাদেন হতে পারে আবার সংবাদপত্র বিক্রেতা হওয়া সত্ত্বেও কেউ এপিজে আব্দুল কালাম হতে পারে। এটি উভয়ের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য যা নীতির উপর নির্ভর করে।”

“আমরা দেখেছি যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জটিল পাইলট প্রশিক্ষণ নেওয়ার পরে, তরুণরা 9/11 -এর মতো আক্রমণে সামিল হয়। ভারতেও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত তরুণ-তরুণীরা আছে যারা যথেষ্ট শিক্ষিত”, তিনি যোগ করেছেন। থমাস এল ফ্রিডম্যানের লেখা একটি প্রবন্ধের উদাহরণ উদ্ধৃত করে তিনি বলেছেন, “প্রবন্ধটিতে, ইনফোসিস এবং আল কায়েদার লোকেরা উচ্চ শিক্ষিত, তাদের লক্ষ্য এবং প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। তবে উভয়ের মধ্যে পার্থক্য হল একজন 9/11 হামলা চালায় আর অন্যজন সমাজের জন্য কাজ করে।” এছাড়াও তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পরিকল্পনা অনুসারে ‘আত্মনির্ভর ভারত’ -এর জন্য দেশের যুবকদের নতুন প্রযুক্তির ধারণা, উদ্ভাবন এবং স্বদেশীকরণের আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: অবৈধভাবে চাকরি নিয়েও ‘Honesty’ শেখাচ্ছেন, ট্রোলের শিকার অঙ্কিতা অধিকারী

মন্ত্রী যুবসমাজকে যে কোনও দেশের জন্য সবচেয়ে বড় শক্তি, অনুঘটক এবং পরিবর্তনের উৎস হিসেবে বর্ণনা করেন। “তরুণদের যে কোনও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার এবং সুযোগে রূপান্তর করার ক্ষমতা রয়েছে। তাদের নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার করার এবং নতুন কোম্পানি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের সম্ভাবনা রয়েছে”, রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) বলেন। সরকারের প্রচেষ্টার কারণে দেশে একটি প্রাণবন্ত স্টার্ট-আপ ইকোসিস্টেম তৈরি হয়েছে, যা বায়ো-টেকনোলজি, ব্যবসায় প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য পেশাদারদের উদ্ভাবনী স্বপ্ন বাস্তবায়নে সহায়তা প্রদান করতে পারে। “স্টার্ট-আপ ইন্ডিয়া স্কিম তরুণদের জন্য খুবই কার্যকর প্রমাণিত হচ্ছে। আমরা স্টার্ট-আপদের জন্য ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ডিংয়ের একটি সংস্কৃতিও গড়ে তুলেছি, যা প্রাথমিক পর্যায়ে তাদের হাত ধরে রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দেশে ব্যবসায়িক ইউনিকর্নের সংখ্যা ১০) ছাড়িয়েছে। এটি আমাদের স্টার্ট-আপ ভিত্তিক উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেমের সাফল্যের প্রমাণ”, তিনি বলেছেন।

আরও পড়ুন: বিরাটের দলের ভাগ্য এখন রোহিতদের দলের হাতে

তিনি দারিদ্র্য ও ক্ষুধা দূরীকরণে সুশিক্ষা একটি কার্যকরী অস্ত্র বলে মনে করেন। শিক্ষাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব বলে অভিহিত করেছেন। শিক্ষার্থীদের জীবনের পার্থিব ও আধ্যাত্মিক দিকগুলির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার আহ্বান জানান। তাদের ইতিবাচক শক্তি ছড়িয়ে সমাজের সম্মিলিত স্বার্থ নিয়ে চিন্তা করার আহ্বান জানান। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সেই মূল্য ব্যবস্থাকে আত্মস্থ করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন যা অন্যান্য প্রয়োজনের জন্য ক্ষতিকর নয় এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দিকে নিয়ে যায়।